মিউজিক ডিস্ট্রিবিউশন কীভাবে কাজ করে, শিল্পীরা টাকা পান কীভাবে


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম
মিউজিক ডিস্ট্রিবিউশন কীভাবে কাজ করে, শিল্পীরা টাকা পান কীভাবে

ডিজিটাল যুগে গান প্রকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি হলো মিউজিক ডিস্ট্রিবিউশন। একটি গান তৈরি হওয়ার পর সেটিকে স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিক, ইউটিউব মিউজিক, টিকটক, অ্যামাজন মিউজিকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে মিউজিক ডিস্ট্রিবিউটর প্রতিষ্ঠানগুলো।

কীভাবে মিউজিক ডিস্ট্রিবিউশন করা হয়

প্রথমে শিল্পী বা লেবেল তাদের গান ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ড্যাশবোর্ডে আপলোড করে। এখানে গানের অডিও ফাইল, কভার আর্ট, শিল্পীর নাম, রিলিজ তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করা হয়। এরপর ডিস্ট্রিবিউটর সেই গান বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে পাঠিয়ে দেয়। নির্ধারিত তারিখে গানটি বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত হয়।

টাকা বা রয়্যালটি কীভাবে আসে

গান প্রকাশের পর যখন শ্রোতারা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে গান শোনেন বা ডাউনলোড করেন, তখন সেই প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় তৈরি হয়। প্ল্যাটফর্মগুলো নির্দিষ্ট সময় পর এই আয় ডিস্ট্রিবিউটরকে প্রদান করে। এরপর ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি তাদের কমিশন কেটে বাকি অর্থ শিল্পী বা লেবেলের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়।

ইউটিউবের ক্ষেত্রে ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখানো হলে সেখান থেকেও আয় যোগ হয়, যা কনটেন্ট আইডি বা ইউটিউব রয়্যালটির মাধ্যমে শিল্পীরা পেয়ে থাকেন।

কেন ডিস্ট্রিবিউশন গুরুত্বপূর্ণ

সঠিক ডিস্ট্রিবিউশন ছাড়া একটি গান আন্তর্জাতিক শ্রোতার কাছে পৌঁছানো কঠিন। এছাড়া নির্ভুল রিপোর্টিং, নিয়মিত রয়্যালটি পেমেন্ট এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে গানের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য ডিস্ট্রিবিউটরদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সঙ্গীত সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে বাংলাদেশেও ডিজিটাল মিউজিকের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় শিল্পী ও লেবেলগুলো ক্রমেই পেশাদার ডিস্ট্রিবিউশন সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠছেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের আরো খবর

Link copied!