ভোটকেন্দ্রে নাশকতা, জালভোট, ব্যালট বাক্স ছিনতাই বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলানগর থানার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে র্যাব ডিজি বলেন, “নির্বাচন ব্যাহত করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেব। ঝুঁকি যদি কারও থাকে, তা আইন ভঙ্গকারীদেরই।”
তিনি জানান, তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই র্যাব নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেফতার এবং নিরাপত্তা জোরদারে দেড়–দুই মাসে উল্লেখযোগ্য অভিযান পরিচালনা হয়েছে।
নির্বাচনকে তিন ধাপে ভাগ করে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে—নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচনোত্তর। নির্বাচনপূর্ব ধাপ সফলভাবে শেষ হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্বাচনের দিন র্যাব স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে। ৬৪ জেলায় র্যাব সদস্যরা ইতোমধ্যে মোতায়েন রয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী স্থির ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সিসিটিভি, বডি ক্যামেরা, ড্রোন, ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বহিরাগতদের অবস্থান ও আচরণবিধি লঙ্ঘন সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী অযৌক্তিকভাবে বহিরাগতদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ। বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন বা ভোটার প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “যদি কোথাও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে এবং ভোটগ্রহণের পরিবেশ নষ্ট হয়, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত বা বাতিল করতে পারে।”
র্যাব মহাপরিচালক আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হবে।






























