ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার সকালে কমিশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার ভোটের সাড়ে ছয় ঘণ্টায় ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬ হাজার ৩১ কেন্দ্রে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট পড়ার তথ্য জানায় ইসি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ট টানা ৯ ঘণ্টা ভোটগ্রহণ চলে।
ভোটার উপস্থিতি
এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ১২টি সংসদ নির্বাচনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, যেখানে ভোট পড়েছিল ৮৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, যেখানে ভোট পড়েছিল ৪৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
নির্বাচনের ফলাফল
উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই নির্বাচনে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই শতাধিক আসনে জয়ী হয়েছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সত্তরটির বেশি আসন লাভ করেছে।
ইসির ধন্যবাদ ও দোয়ার আহ্বান
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ইসি। কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সাধারণ ভোটারসহ সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে শুক্রবার জুমার পর দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।






























