ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বাড়তে থাকায় সীমান্ত পেরিয়ে তুরস্কে ঢুকছে শত শত ইরানি। সোমবার বিকালে ইরানিরা সীমান্ত অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছেন রয়টার্সের এক সাংবাদিক।
তারা তেহরানে আতঙ্কের কথা বলছে এবং পেট্রোল স্টেশনে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। তবে তুরস্ক এদিন সকালে জানিয়েছে, তিনটি ইরান-তুরস্ক সীমান্ত ফটকে দিনের বেলার ভ্রমণে যাত্রী পারাপার স্থগিত করা হয়েছে।
তুরস্ক কেবল নিজেদের নাগরিক এবং তৃতীয় কোনও দেশের নাগরিকদেরকে দেশে ঢুকতে দিচ্ছে। রোববার ভ্রমণকারীরা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, কিছু ইরানিকে তুরস্কে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
তবে সোমবার বিকাল থেকে ইরানিরা সীমান্ত পেরিয়ে তুরস্কের ভান প্রদেশের কাপিকয় সীমান্ত গেটে ভিড় করতে শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, তুরস্কে ঢোকার অনুমতি না পেয়ে ইরানিরা দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত ক্রসিংয়েই আটকা পড়ে আছে।
ইরানের রাজধানী থেকে সেখানে পৌঁছানো এক ইরানি বলেন, “তেহরানে পরিস্থিতি ইতোমধ্যেই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বোমা হামলা হচ্ছে প্রত্যেকেই আতঙ্কিত।”
তিনি আরও জানান, ইরানে যুদ্ধের প্রথম দিনে তিনি কিছু গৃহস্থালি জিনিস কিনেছিলেন। কিন্তু দোকানে প্রচণ্ড ভিড় ছিল।
তুরস্কের সীমান্তের কাছের কাজভিন এলকায় আরেক ইরানি বিনালি কিলিক জানান, “ইরানে জনজীবন স্বাভাবিক আছে। তবে সামরিক এলাকাগুলোতে প্রচণ্ড বোমা হামলা চলছে। জনজীবনে এর প্রভাব পড়ছে। সবাই ঘরে থাকছে। কাছের এলাকা থেকে বোমা হামলা হওয়ার শব্দ আসছে।”
তিনি জানান, এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই তলপিতলপা নিয়ে সীমান্ত গেট পার হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মিনিবাসের দিকে যাচ্ছে। খাবার বা এ ধরনের কোনও কিছুর সমস্যা নেই,মানুষের একমাত্র উদ্বেগ হল হল ভ্রমণের জন্য জ্বালানি নিয়ে। তারা পেট্রোল স্টেশনে লাইন দিচ্ছে।






























