চীনের তিব্বত ও পার্শ্ববর্তী দেশ নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫৫ জনে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৪৭১ জনের বেশি। আজ মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এই তথ্য।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৩৯ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজার ৯২৫ জন। তাদের মধ্যে ৫৯২ জন বিদেশি নাগরিক।
অন্যদিকে চীনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৫৪৬ জন।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি। তাদের মধ্যে শতাধিক নেপালের নাগরিক।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, দেশটির ৮০ নাগরিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ জনকে।
বন্যায় নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রকল্পের ১২টি স্থানে অন্তত ৯০০ শ্রমিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন, নেপাল (আইপিপিএএন)।
সংগঠনটির হিসাবে, নিখোঁজ শ্রমিকদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জন টানেলের ভেতরে আটকা পড়ে থাকতে পারেন।
এরই মধ্যে কাদায় ভরা তিনটি টানেল থেকে চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের সেনাবাহিনী।
এদিকে, নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন পরিবারগুলোও। বন্যার দুই দিন পর নিজের নিখোঁজ ছেলেকে খুঁজতে নেপালে যান মারাভাল নাগাপ্পান।
উদ্ধারকেন্দ্র ও মর্গে খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি ছেলেকে শেষবার যেখানে দেখা গিয়েছিল বলে ধারণা করা হয়, সেখান থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত গিয়েছেন নাগাপ্পান। কিন্তু ছেলের কোনো সন্ধান পাননি।
সূত্র : এপি



































