আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারাও পদযাত্রায় অংশ নিচ্ছেন। সংসদের সমনে গিয়ে পদযাত্রাটি শেষ হবে। এরপর স্পিকারের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে।
রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে বাংলামোটর মোড় থেকে এই পদযাত্রা শুরু হয়েছে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, জামায়াতে যোগ দেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান ছাড়াও আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের অনেকে পদযাত্রায় রয়েছেন।
পদাযাত্রার আগে বিকেল তিনটার দিকে বাংলামোটরে রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের সামনে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। সেখানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কড়া সমালোচনা করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার দাবি জানান। সেখানে আখতারুজ্জামান ছাড়াও আরও কয়েকজন বক্তব্য দেন।
সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যে এই কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানান ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, সংসদের সামনে পদযাত্রা শেষ হবে। এরপর সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদল সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেবে।
এরপরই পদযাত্রার মিছিল শুরু হয়। পদযাত্রায় ‘বাংলাদেশে আয়নাঘর, থাকবে না রে থাকবে না’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন ভারতে’, ‘ঘেরাও ঘেরাও হবে, সংসদ ভবন ঘেরাও হবে’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। বিকেল চারটায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পদযাত্রাটি ফার্মগেট এলাকায় অবস্থান করছিল।

















