সিনেমা গল্পের সিরিয়াল কিলার কিংবা যেকোন সম্পত্তিলোভী চরিত্রকে হার মানাবেন ভারতের এই ব্যক্তি। দুই দশক ধরে নিজ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে একে একে খুন করেছেন উত্তর প্রদেশের লিলু ত্য়াগী।
হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) পাঁচজনকে হত্যার দায়ে গাজিয়াবাদের ৪৮ বছর বয়সী এই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, লিলু ত্য়াগী নিজে ও ভাড়াটে খুনি দিয়ে তার বড় ভাই, বড় ভাইয়ের দুই মেয়ে ও মেঝ ভাইয়ের দুই ছেলেকে খুন করেন।
তবে এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে লিলু ত্য়াগীর ভূমিকা পরিবারের কেউই আঁচ করতে পারেননি। পুলিশ জানায়, নিজের ছেলে যেন পুরো সম্পত্তির মালিক হতে পারেন সেই উদ্দেশ্যেই বাকি উত্তরাধিকারদের একে একে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন তিনি।
পুলিশ জানায়, ২০০০ সালে নিখোঁজ হন লিলুর বড় ভাই যায় সুধীর। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বড় ভাইকে পিস্তল দিয়ে গুলি করে খুন করার কথা স্বীকার করেন লিলু।
এরপর সুধীরের স্ত্রী অনিতাকে বিয়ে করে তিনি। বিয়ের পর আগের ঘরের দুই মেয়ের একজনকে ২০০৩ সালে বিষ খাইয়ে ও অপরজনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লিলু। প্রথমজন বিষাক্ত পোকার কামড়ে মারা গেছে দাবি করেন তিনি। আর দ্বিতীয়জনের লাশ খালে ভাসিয়ে দিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছে বলে প্রচার করেন।
এরপর মেঝ ভাইয়ের ১৪ বছরের সন্তান নীশুকে ভাড়াটে খুনী দিয়ে হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেন। সেসময় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তার মেঝ ভাই। শেষ পর্যন্ত মেঝ ভাইয়ের বড় ছেলে রীশুকেও করেন লিলু। এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশ লিলুকে গ্রেপ্তার করে।

































