• ঢাকা
  • শনিবার, ২০ জুলাই, ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১, ১৩ মুহররম ১৪৪৫

অতিরিক্ত রেডমিট শরীরের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৪, ১২:০৩ পিএম
অতিরিক্ত রেডমিট শরীরের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর
ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির ঈদে একটু বেশিই রেডমিট খাওয়া পড়ে। রেডিমিট মানে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার মতো স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাংস। রেড মিডকে অনেকেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো মনে করেন, আবার কেউবা মনে করেন ক্ষতিকর। তবে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে রেডমিট খাওয়াই যেতে পারে। অতিরিক্ত খেলেই দেখা দিতে পারে সমস্যা। একজন স্বাভাবিক মানুষের দিনে ১০০ গ্রাম রেডমিট খেতে পারে। এবং এইটা সপ্তাহে এক-দুইদিনের বেশি না। অতিরিক্ত খেয়ে নিলেই বিপদ। চলুন দেখে নেই রেডমিট খাওয়ার পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে শরীরে কী ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

  • যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে বা রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি, তাদের জন্য রেডমিট বা লাল মাংস ভালো নয়। এ কারণে যে তা হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। যদি খেতেই হয় ভালো ভাবে চর্বি মুক্ত করে নিতে হবে। কারণ রেডমিটে প্রচুর এলডিএল কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড থাকায় রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
  • স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকায় রক্তনালিতে ব্লক সৃষ্টি করে, যার কারণে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে।
  • রেডমিটে উচ্চমানের প্রোটিন আছে, তাই এটি কিডনি রোগীদের হিসাব করে খেতে হবে। কিডনি রোগীদের সারা দিনে সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ গ্রামের মতো প্রোটিন বেঁধে দেওয়া হয়।  এ সময় প্রতিদিন মাত্রাতিরিক্ত মাংস খেলে কিডনি রোগীদের ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যেতে পারে।
  • লাল মাংস স্থূলতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। যা থেকে হৃদরোগ ছাড়াও ডায়াবেটিস ও ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।
  • অতিরিক্ত রেডমিট খেলে বদহজম হতে পারে, গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের সমস্যা বেড়ে যায়।
  • টাইপ-টু ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • লাল মাংসের স্যাচুরেইটেড ফ্যাট প্রদাহ সৃষ্টি করে। ফলে দীর্ঘমেয়াদী রোগের ঝুঁকি বাড়ে
  • গরু ও খাসির মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যর রোগীদের সমস্যা বাড়ে, কারও পাইলস বা ফিসারের সমস্যা এ সময় বেড়ে যেতে পারে।
  • আর্থাইটিস ও কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই রেডমিট বা লাল মাংস খেতে সতর্ক হোন। যারা ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের রেডমিট  পরিহার করা উচিৎ। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুসরণ করতে হবে। এমনকি রান্নার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করা উটিত। কম আচেঁ ও কম তেল ব্যবহার করে রান্না করলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কম হয়।

Link copied!