• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০, ১৪ শা’বান ১৪৪৫

ফল খাওয়ার সময় যে ভুলগুলো করবেন না


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ১৩, ২০২৩, ০১:০৪ পিএম
ফল খাওয়ার সময় যে ভুলগুলো করবেন না

প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় ফল রাখতে বলেন পুষ্টিবিদেরা। এটি প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি সহজ উৎস এবং ক্ষুধা মেটানোর সবচেয়ে সহজ উপায়। তবে ফল খেলেই হবে না, এক্ষেত্রে মানতে হবে কিছু নিয়ম। কারণ ফল খাওয়ার সময় কিছু ভুল এড়িয়ে চলতেই হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

পানি পান করবেন না
ফল খাওয়ার ঠিক পরপরই পানি পান করলে তা হজম প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। এই অভ্যাস হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন, যখন শরীর অতিরিক্ত পানি পায়, তখন কিডনি সর্বোত্তমভাবে কাজ করতে পারে না। যে কারণে বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা এবং অন্যান্য সমস্যার সৃষ্টি হয়। পানি পান করা ও ফল খাওয়ার মধ্যে অন্তত এক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করবেন না
অনেক সময় বেশি করে ফল কেটে রাখি যেন বারবার কাটতে না হয়। এতে সময় বাঁচে ঠিকই কিন্তু আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। দীর্ঘ সময় কাটা ফল রেখে দিলে তার পুষ্টি উপাদান অনেকটাই কমে যায়। সেইসঙ্গে ফলের স্বাদও নষ্ট হয়।

ফলের রস খাওয়া
তাজা ফলের রস নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়, তবে এটি স্বীকার করতেই হবে যে জুস করলে তা ফলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিকে নষ্ট করে। এর অর্থ এই নয় যে আপনাকে ফলের রস উপভোগ করা থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকতে হবে। এর বদলে আস্ত ফল এবং ফলের জুস খাওয়ার মধ্যে স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য বজায় রাখুন।

রাতে ফল খাওয়া 
যদিও রাতের খাবার হালকা এবং পুষ্টিকর হওয়া উচিত, তবে সেজন্য আবার ফল বেছে নেওয় যাবে না। ফলের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা হরমোনের নিঃসরণ ঘটাতে পারে যা শরীরে শক্তির মাত্রা বাড়ায়। এতে আপনার রাতের ঘুম ব্যাহত হতে পারে।

ঠান্ডা এবং কাঁচা ফল 
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতে, ঠান্ডা খাবার হজম করার জন্য শরীরের অতিরিক্ত পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। এটি ঠান্ডা ফলের ক্ষেত্রেও সত্য, যা বিভিন্ন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা যেমন বদহজম, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। ফলের সম্পূর্ণ উপকার পেতে, ঘরের তাপমাত্রায় পাকা ফল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

Link copied!