‘জ্বর ১০৪ ডিগ্রি, ঠান্ডা, কাশি! সবার দোয়া কামনা করি।’ বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপলোড করেন আল-আমিন লেবু।
বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরবেলা আল-আমিনকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় মারা যায়। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার ভাটরা ইউনিয়নে।
আল-আমিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাংলা বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। রাজধানীর মিরপুরের একটি মেসে তিনি মারা যান। ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহপাঠীরা।
আল-আমিনের এক সহপাঠী বলেন, “আমরা এক রুমেই থাকতাম। সে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করত। ভোরে তার অবস্থা খারাপ হলে রুমের বাকি সবাই তাকে ডা. আজমল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করি। কিন্তু হাসপাতালে যাওয়ার আগেই সে মারা যায়। বিষয়টি কোনোভাবে মেনে নিতে পারছি না আমরা।”
জবির বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. পারভীন আক্তার জেমী বলেন, “বিষয়টি একটু আগে শুনেছি। সত্যি কোনোভাবে মেনে নিতে পারছি না আমরা। আমাদের একজন শিক্ষার্থী নয় সন্তানের মতো সবাইকে দেখি। আরও একজন সন্তানকে হারিয়ে আমরা শোকাহত।”
প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, “বাংলা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত ছিল সে। কিছুক্ষণ পর আল-আমিনের মরদেহ নিয়ে তার পরিবার বগুড়ার উদ্দেশে রওনা দেবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই মরদেহ পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”








































