ভোলায় বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ, ১০ জন আহত


ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
ভোলায় বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ, ১০ জন আহত

ভোলার দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের মুন্সির হাট এলাকায় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের মোট ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়ে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিএনপি পক্ষ থেকে আহত মেদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি মো. কবির (২৮), ছাত্রদলের সদস্য রাছেল (২২) এবং যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল (৩০)-কে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। জামায়াত পক্ষ থেকে আহত মোহাম্মদ রুবেল (২৫), মোহাম্মদ নাঈম (২০) এবং ফরহাদ (২৩)-কে ভোলা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম জানান, সকালে মেদুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াত কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে লাঠির মাথায় পোস্টার বেঁধে ভোলা-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিমের পক্ষে গণসংযোগ শুরু করে। এতে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হলে পরিস্থিতি সংঘর্ষময় হয়ে ওঠে এবং উভয় পক্ষ থেকে ১০ জন আহত হন।

দৌলতখান উপজেলা জামায়াত আমির হাসান তারেক স্বপন হাওলাদার বলেন, "বিএনপির ধানের শীষের লোকজন সবসময় উত্তেজিত এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে। আমরা এসব থেকে পরিত্রাণ চাই।" অন্যদিকে, দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সাজু বলেন, "জামায়াত কর্মীরা লাঠির মাথায় পতাকা বেঁধে গণসংযোগ করে, যাতে মানুষ আতঙ্কিত হয়। তর্কাতুরক থেকে ঘটনা ঘটে এবং আমাদেরও তিনজন আহত হয়েছে।"

দৌলতখান উপজেলা ওসি সাইফুল ইসলাম সিকদার জানান, "জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষস্থলে পুলিশ ও নৌবাহিনী পৌঁছে ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করে। এখন পরिस্থিতি শান্ত রয়েছে।" এই ঘটনা নির্বাচনী উত্তেজনার মধ্যে দলীয় দ্বন্দ্বের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্বদেশ বিভাগের আরো খবর

Link copied!