• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১, ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি


রাজবাড়ী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ২৫, ২০২১, ১২:২২ পিএম
গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মার পানি ক্রমশ বৃৃদ্ধি পাওয়ার ফলে রাজবাড়ী জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তবে নতুন করে কোনো গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সদর উপজেলার মাহেন্দ্রপুর পয়েন্টে পানির উচ্চতা অপরিবর্তিত থাকলেও পাংশা উপজেলার সেনগ্রাম পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার কমেছে। তবে তা এখনো বিপৎসীমার ৭১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পয়েন্টে আরও ২ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি।

এদিকে পানিবন্দী অবস্থায় অসহায় এবং দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার পরিবার। রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মোতালেম প্রামাণিক বলেন, “প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই ভোগান্তি বাড়ে। বাড়িঘরে পানি উঠে যায়। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে আছি।”

রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের আফসার সরদার বলেন, “কী আর বলব ভাই! পানির ভিতরে কিভাবে যে দিন কাটাচ্ছি। কিন্তু কোনো চেয়ারম্যান, মেম্বার এখন পর্যন্ত কোনো খোঁজ নিলেন না।”

একই এলাকার বাসিন্দা নাসরিন বলেন, “আমরা রান্নাবান্না করতে পারতেছি না। ঘরের মধ্যে সাপ-ব্যাঙ ঢোকে। ছোট বাচ্চা নিয়ে ভয়ের মধ্যে আছি।”

দৌলতদিয়া ইউনিয়নে বাসিন্দা স্বপ্না হালদার বলেন, “আমাগো খোঁজ নেওয়ার কেউ নাই। শুনলাম সরকার থেকে নাকি খাওন দিব। কিন্তু তাও তো পাই না।”

কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের কাশেম মন্ডল বলেন, “খাবারের কষ্ট,পানির কষ্ট, আমাদের জীবনডাই কষ্টে ভরা। এই পচা পানিতে থাকতে থাকতে পায়ে পঁচড়া হয়ে যাচ্ছে।”

এদিকে এসব বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আরিফুল হক জানান, পানিবন্দী মানুষের সাহায্যের জন্য প্রতি উপজেলায় ১০ মেট্রিক টন চাল পাঠানো হয়েছে। এছাড়া কিছু পরিবারকে ইতোমধ্যে আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে।”

Link copied!