চল্লিশেও চালশে নন—লুকা মদরিচ। তার পরে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করে অনেকে হয়তো অবসর নিয়েছেন, কিন্তু তিনি ছুটে চলেছেন মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।
২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করা মদরিচ আজ তো একটা মাইলফলক ছুঁয়েছেন। বিশ্বের চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে ২০০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েছেন। তার আগে এই কীর্তি গড়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, বদের আল-মুতাওয়া ও লিওনেল মেসি।
মদরিচের মালিকের রাতটা স্মরণীয় করেছেন আন্তে বুদিমির।
পানামার বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়াকে জয়সূচক গোল এনে দিয়ে। তার গোলেই এবারের বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেয়েছে ক্রোয়েশিয়া। তাতে বেঁচে রয়েছে নকআউটে খেলার স্বপ্ন। ২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তৃতীয়।
বিপরীতে সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে ইংল্যান্ড-ঘানা।
ক্রোয়েশিয়া জয়সূচক গোলটি পায় ম্যাচের ৫৪ মিনিটে। ডান প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত এক ক্রস করেন ইয়োসিপ স্তানিসিচ। গোললাইনের সামনে থেকে শুধু পা দিয়ে পথ দেখিয়ে দেন বুদিমির। বল জালে জড়াতেই টরন্টোর গ্যালারিতে তখন ক্রোয়েশিয়া ক্রোয়েশিয়া স্লোগান।
জয়ে সরাসরি অবদান রাখতে পারতেন মদরিচও।
ম্যাচের ৫৭ মিনিটে মুখে তুলে দেওয়ার এক গোল বানিয়ে দিয়েছিলেন ৪০ বছর বয়সী মদরিচ। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি প্যাসালিচ। প্রথমবার সরাসরি প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের শরীরে মারার পর ফিরতি সুযোগটা উড়িয়ে মারেন তিনি।
তবে ম্যাচ জয়ের নায়ক বুদিমির হলেও, ক্রোয়েশিয়াকে পয়েন্ট ভাগাভাগিও করতে না দেওয়ার কারিগর ডমিনিক লিভাকোভিচ। ৬৮ মিনিটে ডাবল সেভ দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক। কর্নারের বিনিময়ে মুরিল্লোর দুটি শট ঠেকিয়ে দেন তিনি। ফিরতি কর্নারে ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে দারুণ এক হেড নিয়েছিলেন হার্ভি। সেটিও পাঞ্চ করে ক্রোয়েশিয়াকে বাঁচান তিনি।
































