আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সিতে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে আবেগ, উন্মাদনা আর ভালোবাসার ঢেউ। ম্যাচ শুরুর নির্ধারিত সময় স্থানীয় সময় রাত ৮টার কথা থাকলেও নানা আনুষ্ঠানিকতা ও দর্শকদের বাঁধভাঙা উল্লাসের কারণে কিক-অফের বাঁশি বাজতে প্রায় ৩০ মিনিট দেরি হয়। বেনিনের বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচটির প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্যভাবে।
মাঠে খেলা গড়ানোর পর ঘড়ির কাঁটা যখন ঠিক দশের ঘরে পৌঁছায়, তখন পুরো মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে দেখা যায় এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। মেসির ট্রেডমার্ক ১০ নম্বর জার্সির প্রতি সম্মান জানিয়ে ম্যাচের ঠিক দশম মিনিটে খেলা সাময়িকভাবে থামিয়ে দেন রেফারি।
এ সময় স্টেডিয়ামের খেলোয়াড়, অফিশিয়াল থেকে শুরু করে গ্যালারির দর্শকেরা দুই মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে সমস্বরে হাততালি ও ‘ওলে ওলে মেসি’ স্লোগানে মহাতারকাকে অভিনব অভিবাদন জানান। মাঠে থাকা বেনিনের ফুটবলাররাও মেসির সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাকে সম্মান জানান। স্টেডিয়ামজুড়ে এ সময় ফুটিয়ে তোলা হয় আতশবাজির ঝলকানি।
খেলার শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭ মিনিটেই এনজো ফার্নান্দেজ ও লিওনেল মেসির জোড়া শট রুখে দেন বেনিন গোলরক্ষক মার্সেল দান্দজিনু। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিলেন মেসি ও লাউতারো মার্টিনেসরা। ২৪ মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের থ্রু বল থেকে মেসির শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মেসির বাঁ পায়ের জোরালো শট আবারও তালুবন্দি করেন বেনিনের গোলরক্ষক।
অন্যদিকে বেনিনও কাউন্টার অ্যাটাকে বেশ কয়েকবার আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে কাঁপন ধরিয়ে দেয়। জুনিয়র ওলাইতান ও ইয়োহান রোচেদের আক্রমণগুলো দক্ষতার সাথে প্রতিহত করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেস। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ৪৪ মিনিটে ডি বক্সের ডানপাশে হুলিয়ান আলভারেসের শট দারুণ দক্ষতায় সেভ করেন দান্দজিনু। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্ডি হলুদ কার্ড দেখেন।





















