অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাস


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাস

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কয় দিন টিকতে পারবে বাংলাদেশ—সিরিজ শুরুর আগে এমন আলোচনা হচ্ছিল ক্রিকেটাঙ্গনে। তার ওপর প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটারদের বাজে পারফরম্যান্স। সবমিলে বেশ চাপেই ছিল সফরকারীরা। চাপের মুখে ইতিহাস গড়েই সবকিছুর জবাব দিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটা বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়। এর আগে ২০১৭ সালে নিজেদের মাঠে অজিদের বিপক্ষে এই সংস্করণে জয়ের স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ৯ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে নেমেও জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখল তারা।
জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্যটাই ছিল মামুলি; মাত্র ৫৭ রানের। রান তাড়ায় শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারায় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ১০১ রান এনে দেওয়া এই ব্যাটার এবার ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই। তামিমের বিদায় অবশ্য জয়ের পথে বাধা হতে পারেনি। সাদমান ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন মুমিনুল হক।
দ্বিতীয় উইকেটে সাদমানের সঙ্গে ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন মুমিনুল। বিউ ওয়েবস্টারের করা ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি মেরে জয় নিশ্চিত করেন সাবেক অধিনায়ক। ২ চারের সাহায্যে ৩০ রান করেন তিনি। ৪ বাউন্ডারিতে সাদমানের অবদান ২৫ রান।
বাংলাদেশ ডারউইন টেস্ট জিতল সাড়ে তিন দিনেই। ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই দারুণ ক্রিকেট খেলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল অতিথিরা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের দাপুটে বোলিংয়ে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় প্যাট কামিন্সরা। এ স্টিভ স্মিথ (৭১) ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার আর কোনো ব্যাটারকে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল হাসান মাহমুদ।
জবাবে বাংলাদেশ থামে ৪২৬ রানে। তানজিদ সেঞ্চুরির (১০১) পাশাপাশি শান্ত ৮৪, মেহেদী হাসান মিরাজ ৬৫, মুমিনুল এনে দেন ৪৯ রান। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিডই জয়ের ভীত গড়ে দেয় বাংলাদেশকে। পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে অতি মানবীয় কিছু করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ২৮৪ রানে অলআউট হয় তারা। ৫ উইকেট নেন মিরাজ। তানকিনের শিকার তিনটি।

Link copied!