বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে পারেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এটা প্রায় নিশ্চিত। তিনি রাষ্ট্রপতি হলে মন্ত্রিসভায়ও রদবদল আসতে পারে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হলে তাকে দল ও সংসদ সদস্য পদ ছাড়তে হবে। এ কারণে বিএনপির চেয়ারম্যানের পরপরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ‘মহাসচিব’ পদে কে আসছেন তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা। দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, দলের জাতীয় কাউন্সিলের আগ পর্যন্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কিংবা জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
মির্জা ফখরুল দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হলে মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল কিংবা দপ্তর পুনর্বণ্টন নিয়ে বিএনপি এবং সরকারের অভ্যন্তরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা সমীকরণ। এসব সমীকরণ মিলিয়ে দেখলে যে চিত্র দাঁড়ায় সেটি হলো, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসতে পারেন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এই সম্ভাবনার বিকল্প হিসেবে বর্তমান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পুরো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও শোনা যাচ্ছে। সূত্রমতে, সরকার গঠনের শুরুতেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
সূত্র জানায়, সালাহউদ্দিন আহমদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গেলে সেক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বর্তমান পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নামও শোনা যাচ্ছে অন্দরের আলোচনায়। শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি স্বরাষ্ট্রে গেলে পানিতে আসতে পারেন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। আর টেকনোক্র্যাট কোটায় ঐ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দেখা যেতে পারে রুহুল কবির রিজভীকে। এছাড়া, দপ্তর বদল হয়ে অন্য একটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী যেতে পারেন পানিসম্পদের দায়িত্বে। আরেক জন মন্ত্রী নিজের বর্তমান মন্ত্রণালয় থেকে যেতে পারেন খালি হওয়া ঐ মন্ত্রণালয়ে।
এদিকে, নতুন করে দুই-তিন জনের মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে, দপ্তর পুনর্বণ্টন এবং মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ যুক্ত হওয়ার এই আলোচনা এখনো সম্ভাব্য। বিষয়টি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর।
সূত্র: ইত্তেফাক



























