লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ সুইজারল্যান্ড কোচ


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ সুইজারল্যান্ড কোচ

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে প্রায় কোণঠাসা করেই ফেলেছিল সুইজারল্যান্ড। ১–১ সমতায় ফেরার পর ম্যাচের গতি ছিল তাদের পক্ষেই। ঠিক সেই সময়ই আসে বিতর্কিত এক মুহূর্ত। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ব্রিল এমবোলো। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ে দুটি গোল হজম করে ৩–১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে কোয়ার্টার ফাইনালেই বিদায় নিল সুইসরা।

ম্যাচ শেষে তাই আক্ষেপই ঝরেছে আল্পস পর্বতের দেশটির। কোচ মুরাত ইয়াকিনের বিশ্বাস, লাল কার্ড না হলে ম্যাচের গল্পটা ভিন্নও হতে পারত। তাঁর মতে, দল তখন আক্রমণাত্মক পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছিল এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও অনেকটাই তাদের দখলে ছিল।

ইয়াকিন বলেন, ‘ম্যাচের যেভাবে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তাতে আমার মনে হয় আমরা প্রতিপক্ষের চেয়ে ভালো খেলেছি। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে আমরা যা দেখিয়েছি, তাতে আমি ভীষণ গর্বিত। আমার দল ও কোচিং স্টাফ—সবাইকে নিয়েই আমি গর্ব করি।’


৭২ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর সঙ্গে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সংঘর্ষের পর প্রথমে পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি জোয়াও পিনেইরো। কিন্তু ভিএআরের হস্তক্ষেপে শুরু হয় ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সেই পর্যালোচনা। শেষ পর্যন্ত পারেদেসের কার্ড বাতিল করে অভিনয়ের অভিযোগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয় এমবোলোকে। মুহূর্তেই ১১ জন থেকে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড।

সুইস কোচের মতে, সমতাসূচক গোলের পর তারাই ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করছিল। ‘আমাদের পক্ষেই তখন গতি ছিল। আমরা আরও আক্রমণাত্মক পরিবর্তন আনার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু তারপরই লাল কার্ড এল। মনে হয়, আজ ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল না। এই নিয়ম কীভাবে বানানো হয়েছে, সেটাও আমি জানি না। তারপরও এই দলকে নিয়ে আমার গর্বের শেষ নেই।’


গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলও মনে করেন, শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও অন্তত টাইব্রেকারে যাওয়ার সুযোগ না পাওয়াটা হতাশার। তিনি বলেন, ‘আমি দলকে নিয়ে ভীষণ গর্বিত। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা লড়েছি, সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। আমাদের মানসিকতা ছিল অসাধারণ। লাল কার্ডের ঘটনাটি আমি পরিষ্কারভাবে দেখিনি। তবে যেভাবে আমরা লড়াই করেছি, তাতে অন্তত টাইব্রেকারে যাওয়ার সুযোগও না পাওয়াটা অন্যায্য মনে হচ্ছে।’

Link copied!