রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর ও এর আশপাশের এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হকারদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এই উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে ক্ষুব্ধ হকাররা সিটি করপোরেশনের তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। একই সঙ্গে পুলিশের গাড়ি ও একটি খননযন্ত্রে (ভেকু) ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর-১০ নম্বর এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকায় হঠাৎ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই আকস্মিক আগুনের ঘটনায় সেখানে উপস্থিত হকার ও ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
জেলা হাসপাতালে ১০টি ও মেডিকেলে ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন বসানো হচ্ছে
বিক্ষুব্ধ হকাররা সংঘবদ্ধ হয়ে আকস্মিক হামলা চালান। তারা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে ব্যবহৃত তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। উচ্ছেদ কাজে আনা একটি ভেকু (খননযন্ত্র) বিক্ষুব্ধদের রোষানলে পড়ে এবং সেটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে উত্তেজিত হকাররা পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করেন। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমের কাছে এই হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। অন্যদিকে, যানবাহনে অগ্নিসংযোগের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিস। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



























