এল নিনোর প্রভাবে ছয় মাসে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম
এল নিনোর প্রভাবে ছয় মাসে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা

সুপার এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্ট বাড়তি তাপে আগামী ৬ মাসে আরও সাড়ে ৪ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের জন্য দেওয়া হয়েছে এই পূর্বাভাস। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে যে অকালমৃত্যু হয়েছে, এই সংখ্যাটি তার বাইরে।

জলবায়ু বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা, ইন্দোনেশিয়া থেকে ভারত, নাইজেরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত বিশ্ব জুড়েই এই প্রভাব পড়বে। এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্ট খরা, দাবানল ও বন্যায় আরও বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর এ হিসাবটি আঞ্চলিক পর্যায়ে করা হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে কোথায় মানুষকে সুরক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া বা প্রাণহানি ঠেকানো সম্ভব, তা চিহ্নিত করা যাবে। বিশেষ করে তাপমাত্রার পূর্বাভাস, আশ্রয়ের জন্য শীতলকেন্দ্র স্থাপন, অতিরিক্ত গরমের সময়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে জনবল বাড়ানোর মতো ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

পৃথিবীকে উত্তপ্ত করে তোলা এল নিনোর তাপমাত্রা গত সোমবার ইতিহাসের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। অথচ এর সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পৌঁছানোর কথা ছিল আরও কয়েক মাস পরে। আগের তুলনায় এবার এল নিনোর এত বেশি তাপমাত্রাকে বিজ্ঞানীরা ‘অবিশ্বাস্য’ বলে বর্ণনা করেছেন।

আগামী ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশ নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সুদান, ভারত ও ব্রাজিল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ২০টি দেশের তালিকায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। দেশটিতে অতিরিক্ত তাপজনিত ৩ হাজার ৫০০ মৃত্যুর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বৃহত্তর পরিসরে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

Link copied!