‘পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার আগে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নয়’


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: নভেম্বর ৭, ২০২১, ০২:১৬ পিএম
‘পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার আগে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নয়’

পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার আগে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড যাতে কার্যকর না করতে আইজি প্রিজনসের সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলকে কথা বলতে বলেছেন আপিল বিভাগ।

কুষ্টিয়ার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি শুকুর আলীর ফাঁসি সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (৭ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এ অভিমত দেন।

আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী হেলাল উদ্দিন মোল্লা আপিল বিভাগে আবেদন করলে আদালত এ আদেশ দেয়।

হেলাল উদ্দিন মোল্লা বলেন, “গত ১৮ আগস্ট আপিল বিভাগ শুকুর আলীকে ফাঁসি দিয়ে রায় দেন। রায়ে তিনজনকে ফাঁসি থেকে যাবজ্জীবন সাজা এবং শুকুর আলীর ফাঁসি বহাল রাখে। এ রায়ের অ্যাডভান্স কপি জেল কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যায়। জেল কর্তৃপক্ষ অ্যাডভান্স আদেশের কপি পেয়ে শুকুর আলীর দণ্ড কার্যকরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।”

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেছেন, তিনি যেন আইজি প্রিজনকে বলে দেন ফাঁসি দণ্ডটি যাতে স্থগিত থাকে।

জানা যায়, ২০০৪ সালে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগরে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে গত ১৮ আগস্ট এক আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে তিনজনকে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

প্রতিবেশীর বাড়িতে টেলিভিশন দেখে ওই কিশোরী বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা তাকে অপহরণ করে। তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে। কিশোরীর বাবা আব্দুল মালেক ঝনু বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০০৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দেন কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আকবর হোসেন। তারা হলেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের শুকুর আলী, কামু ওরফে কামরুল, নুরুদ্দিন সেন্টু, আজানুর রহমান ও মামুন হোসেন।

Link copied!