দেশি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন (প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান) গ্রেপ্তারের পর উল্টো এখন তাদের মুক্তির জন্যই বিক্ষোভ করছেন গ্রাহকরা।
বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে র্যাব রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে বাহিনীর সদর দপ্তরে নিয়ে যায়।
মো.মনিরুল হোসেন সবুজ নামের এক গ্রাহক বলেন, “আমি ইভ্যালির সঙ্গে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে ব্যবসা করছি। আমি তাদের পণ্য দিচ্ছি, ইভ্যালি সেটার বিল দিচ্ছে। বর্তমানে আমি ইভ্যালির কাছে দেড় কোটি টাকা পাই। প্রতিষ্ঠানটির এমডি রাসেল ভাই আমাকে ফোন করে বলছে, আপনার পণ্য আমাকে দেন, আমি ক্যাশ অন ডেলিভারিতে সেগুলো বিক্রি করবো। পাশাপাশি আমার পাওনা টাকার জন্য তিনি ছয় মাস সময় চেয়েছেন। আমি যখন দেখেছি এখানে আমার ব্যবসা আছে, লাভ আছে, তখন আমি তাকে পণ্য দিচ্ছি, সময় দিচ্ছি।”
সাংবাদিকদের উদ্দেশে সবুজ আরও বলেন, “অন্য কোনো কোম্পানি যখন ভুল করে, ত্রুটি-বিচ্চুতি করে, তখন আপনারা ইভ্যালিকে টেনে নিয়ে আসেন। বাংলাদেশে এখনো কোনো ই-কমার্স সাইট এক বছরের বেশি ব্যবসা করতে পারেনি। সেখানে ইভ্যালি প্রায় তিন বছর ধরে ব্যবসা করে যাচ্ছে। আজকে যদি ইভ্যালি টিকে থাকে, আমি বিক্রেতা, আমি টিকে থাকবো, গ্রাহকরা টিকে থাকবে।”
এ সময় বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা বলেন, “গ্রেপ্তার কোনো সমাধান হতে পারে না। রাসেলকে যদি গ্রেপ্তার করে জেলখানায় বন্দি করে রাখা হয়, তাহলে আমরা যা টাকা পাই, এই টাকার সমাধান কে করবে? গ্রাহকরা যেখানে রাসেলকে সময় দিচ্ছে, সেখানে তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো মানে হয় না।”
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার নিলয় কমপ্রিহেনসিভ হোল্ডিংয়ের (হাউজ ৫/৫এ, স্যার সৈয়দ রোড) বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।































