ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন তার স্ত্রী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এই দম্পতির মেয়ে তানি দীপাবলি নেওয়াজের আবেদনে আজ বৃহস্পতিবার সকালে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয় তাকে।
সকাল ৬টার দিকে পুলিশের নিরাপত্তায় প্রিজন ভ্যানে করে জেল থেকে বের হন তিনি। সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে রাজধানীর কলাবাগানের বাসায় পৌঁছান। পরে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে স্বামীকে শেষবারের মতো দেখেন দীপু মনি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মুক্ত থাকবেন দীপু মনি। তবে তার সঙ্গে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বলয়।
গতকাল বুধবার দুপুরে মায়ের সঙ্গে দেখা করেন দীপু মনির মেয়ে তানি। পরে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসনে ৪ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করলে ১২ ঘণ্টার জন্য আবেদন মঞ্জুর করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে মুন্সীগঞ্জ কারাগারে আছেন দেশের প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রথম নারী শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তার স্বামী তৌফীক নেওয়াজ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড হাসপাতাল) মারা যান তিনি।
ধ্রুপদি সংগীতচর্চা করতেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তৌফীক নেওয়াজ। ২০১৯ সালে তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। আদালতে হাজিরার দিন বিভিন্ন সময় স্ত্রীকে দেখতে হুইলচেয়ারে বসে আসতেন তিনি। সর্বশেষ গত ২৭ মে তাকে আদালতে নিয়ে যান স্বজনরা।
হাইকোর্টে বেশ কয়েকটি মামলায় জামিন পেলেও আরও অনেক মামলায় নাম থাকায় মুক্তি পাননি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি। গত ২৭ মে স্বামীর অসুস্থতার কথা তুলে ধরে তাকে সাত দিন প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আবেদন করেছিলেন মেয়ে তানি দীপাবলী।
তবে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর করা ওই আবেদনে পরে আর সাড়া মেলেনি।
২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় দীপু মনিকে।





























