রমজানে ১০ লাখ পরিবারকে কম দামে দুধ-ডিম ও মাংস দেবে সরকার


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১১:২৫ এএম
রমজানে ১০ লাখ পরিবারকে কম দামে দুধ-ডিম ও মাংস দেবে সরকার

রমজানে নিম্ন আয়ের ১০ লাখ পরিবারকে সরকার সুলভ মূল্যে প্রোটিনের চাহিদা পূরণের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার ১০ লাখ পরিবার কম দামে দুধ, ডিম ও মাংস কিনতে পারবেন। এ লক্ষ্যে উত্তরা, আজিমপুর, মিরপুরসহ রাজধানীর ২৫টি স্পটে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। চলবে পুরো রমজান মাস জুড়ে।

দেশের অন্যান্য জেলাতেও এই উদ্যোগ ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, এতে ডিমের ডজন মিলছে ৯৬ টাকায়, ১ কেজি দুধ ৮০ টাকা ও ১ কেজি মাংস ৬৫০ টাকায়। এই উদ্যোগের ফলে বাজারেও জিনিস পত্রের দাম কমে আসবে।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য অফিসার মামুন হাসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরে স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভ মূল্যে দুধ–ডিম–মাংস বিক্রির উদ্যোগ নেবেন।

চাহিদা বিবেচনায় ঢাকা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রাথমিকভাবে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রস্তাবিত স্থানগুলো হলো—সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), খামারবাড়ি (ফার্মগেট), ৬০ ফুট সড়ক (মিরপুর), আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার (পুরান ঢাকা), উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), কালশী (মিরপুর), মানিক নগর গলির মুখ (যাত্রাবাড়ী), শাহজাদপুর (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও (রেলক্রসিং দক্ষিণ), নাখালপাড়া (লুকাস মোড়), সেগুনবাগিচা (কাঁচাবাজার), মোহাম্মদপুর (বাবর রোড), মোহাম্মদপুর (বছিলা), কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও ও বঙ্গবাজার।

এ ছাড়া স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের জন্য স্থায়ী স্থান নির্ধারণের মাধ্যমে বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

Link copied!