• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

‘আমি বেঁচে থাকার যোগ্য নই’


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ১৯, ২০২৩, ১২:০০ পিএম
‘আমি বেঁচে থাকার যোগ্য নই’
ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতালে নবজাতক পরিচর্যার দায়িত্ব পালনকালে সাত শিশুকে হত্যা এবং আরও ছয় শিশুকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন লুসি লেটবি (৩৩) নামক এক ব্রিটিশ নার্স।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনাকে ব্রিটেনের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ শিশু সিরিয়াল কিলারের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দেশটির চেশায়ারে কাউন্টেস অব চেস্টার হাসপাতালে ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে রাতের শিফটে কাজ করার সময় লুসি ওই ১৩ জন শিশুকে আক্রমণ করেন। লুসি কয়েকটি শিশুর দেহে ইনসুলিন ও বাতাস ঢুকিয়ে এবং অতিরিক্ত দুধ খাইয়ে হত্যা করেছেন। 
তার হাতে মৃত্যুবরণকারী শিশুদের মধ্যে একত্রে জন্ম নেওয়া তিন শিশুর দুটিও ছিল। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি তাদের হত্যা করেন। অল্প ওজনের একটি মেয়ে শিশুকে তিনি অতিরিক্ত বাতাস দিয়ে হত্যা করেছিলেন। আর ১০ সপ্তাহের একটি অপরিণত শিশুকে চতুর্থবার চেষ্টায় হত্যা করেন। লুসি এক ছেলে শিশুকে হত্যা করে, পরদিন তার জমজ ভাইকেও হত্যা করার চেষ্টা করেন।

ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্টে ১০ মাসের বিচারে লুসিকে ঠান্ডা মাথার সিরিয়াল শিশু কিলারদের একজন বলে অভিহিত করা হয়। 

শিশু হত্যা ঘটনার তদন্তের জন্য ২০১৮ ও ২০১৯ সালে লুসিকে দুইবার গ্রেপ্তার করে ব্রিটিশ পুলিশ। ২০২০ সালের নভেম্বরে আবারও গ্রেপ্তার হন লুসি। ওই সময় পুলিশ তার বাড়ি তল্লাশি করে হাতে লেখা চিরকুট পায়। তাতে লেখা ছিল, “আমি বেঁচে থাকার যোগ্য নই। আমি ইচ্ছে করে তাদের হত্যা করেছি। কারণ আমি তাদের যত্ন করার মতো ভালো মানুষ নই।” তিনি একই চিরকুটে বড় হাতের অক্ষরে লিখেন, “আমি শয়তান, আমি এটা করেছি। আমি তাদের খুন করেছি।” 

সোমবার (২১ আগস্ট) ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্ট লুসির সাজা ঘোষণা করবে। 

Link copied!