দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। যদিও এরপরেই ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ৪৭ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, দক্ষিণ লেবাননে নাবাতিয়েহ জেলার হারুফে নয়জন, হাবুশে সাতজন এবং আল-দুয়াইরে একজন শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন।
এর আগে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা নাবাতিয়েহ জেলা জুড়ে শুক্রবার রাতভর চালানো বোমাবর্ষণকে যুদ্ধের অন্যতম তীব্র হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছিল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কিন্তু পরে আইডিএফের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তাদের বাহিনী নিরাপত্তা হুমকিগুলো দূর করা জন্য হামলা অব্যাহত রাখবে।
ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ এখনো যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করেনি। তবে দলটির মহাসচিব শেখ নাইম কাসেম বলেছেন, হিজবুল্লাহকে নির্মূল করার ইসরায়েলি প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ শহরের উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা বিবিসিকে জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেল ৪টায় যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ১২টি বিমান হামলা হয়েছে।
এই হতাহতের ঘটনা ইঙ্গিত করে ইরানের সঙ্গে করা চুক্তির বাস্তবায়ন এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণে নেই।
দক্ষিণ লেবাননে উত্তেজনা বৃদ্ধি চুক্তি বাস্তবায়নে আরও সমস্যা তৈরি করবে।
দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ চারজন ইসরায়েলি সৈন্যকে হত্যার জেরে এ হামলা শুরু করে ইসরায়েল।—যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার চুক্তিটিকে দুর্বল করে দেবে।
যুদ্ধবিরতির খবরেও বাস্তুচ্যুত লেবানিজ জনগণ আশা রাখতে পারছেন না, কারণ তারা সন্দিহান যে ইসরায়েল শান্তিচুক্তি মেনে চলবে কি না।
সমঝোতা স্মারকে লেবাননে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা ঘটেনি, যার ফলে তেহরান ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করেছে।সূত্র: বিসিবি


































