বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে মেসির বার্তা


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০২:৪৮ এএম
বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে মেসির বার্তা

বিশ্বকাপ শুরু হলেও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে সমর্থকদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েক দিন। আগামী বুধবার সকালে ‘জে’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। নিজের শেষ বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন লিওনেল মেসি।

ইনস্টাগ্রামে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক পোস্ট করেছেন মাত্র দুটি সংখ্যা ও একটি ইমোজি। নিজের বিশ্বকাপ যাত্রার স্মৃতিচারণ করে ক্যাপশনে লিখেছেন শুধু— ‘২০০৬⚽২০২৬’। এ যেন নিজের বিশ্বকাপ অধ্যায়ের শুরু-শেষটা একই ফ্রেমে আনার চেষ্টা!

২০ বছর আগে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ২০০৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার মাঠে নামেন মেসি। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে খেলেছেন তিনি। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও ওচোয়ার সঙ্গে যৌথভাবে রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে নামবেন মেসি।

শেষ বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে তাই ২০ বছর আগে ফিরে গেলেন মেসি। ২০০৬ থেকে ২০২৬, বিশ্বকাপের মঞ্চে ২০ বছরের যাত্রা ফুটে উঠল দুটি সংখ্যায়। ২০০৬ ও ২০২৬-এর মধ্যে ছিল ফুটবলের একটি ইমোজি।

এবারের বিশ্বকাপে মেসির সামনে রয়েছে বেশ কিছু রেকর্ড গড়ে বিদায় বলার সুযোগ। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার হাতছানি মেসির সামনে। ক্লোসার গোল ১৬টি। এরপর আছেন ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও (১৫ গোল) এবং জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার (১৪ গোল)। মেসি বর্তমানে ১৩ গোল নিয়ে যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে আছেন ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইনের সঙ্গে।

গোলদাতার সঙ্গে মেসি হতে পারেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতাও। এখন পর্যন্ত ৮ অ্যাসিস্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন মেসি। ১০ অ্যাসিস্ট নিয়ে এ তালিকার শীর্ষে আছেন ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলে।

মেসি এখন পর্যন্ত খেলেছেন দুটি ফাইনাল। সবচেয়ে বেশি ফাইনাল খেলা ফুটবলারদের তালিকায় ঢুকতে এবারও মেসিকে খেলতে হবে ফাইনাল। তবেই তিন ফাইনালে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাবেন তিনি। পেলে (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০), কাফু (১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২) ও রোনালদো (১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২) এবং জার্মানির লোথার ম্যাথাউস (১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০) ও পিয়েরে লিটবারস্কি (১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০) খেলেছেন রেকর্ড তিনটি করে ফাইনাল।

মেসি আগেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ২৬ ম্যাচ খেলার রেকর্ড নিজের দখলে নিয়েছেন। এ আসরে সেটি আরও বাড়বে। তার পরের অবস্থানে থাকা তিনজনই অনেক আগে অবসরে গেছেন– লোথার ম্যাথাউস (২৫), মিরোস্লাভ ক্লোসা (২৪) ও পাওলো মালদিনি (২৩)।

এ ছাড়া বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি সময় মাঠে থাকার রেকর্ডও মেসির দখলে, ২৩০০ মিনিট। ২০২৬ বিশ্বকাপে যদি মেসি শেষ পর্যন্ত যেতে পারেন, নিঃসন্দেহে এই রেকর্ডও ভেঙে যাবে।

Link copied!