বিশ্বখ্যাত পপ তারকা দুয়া লিপা পর্তুগালের পোর্তো শহরে নিষিদ্ধ ও সেন্সরশিপের শিকার বই নিয়ে একটি স্থায়ী লাইব্রেরি চালু করেছেন। ‘দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি’ নামে এই উদ্যোগের লক্ষ্য মুক্ত চিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বই পড়ার সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা।
গত ২৭ জুন ‘বাবেল ইন্টারন্যাশনাল বুক ফেস্টিভ্যাল’-এ লাইব্রেরিটির উদ্বোধন করা হয়। এটি পর্তুগালের বিখ্যাত বইয়ের দোকান লিভ্রারিয়া লেলো-র ভেতরে অবস্থিত।
তত
এটি দুয়া লিপার প্রথম ফিজিক্যাল লাইব্রেরি। তার ২০২২ সালে চালু করা সার্ভিস-৯৫ বুক ক্লাবেরই একটি সম্প্রসারিত উদ্যোগ এটি।
লাইব্রেরি উদ্বোধনের সময় দুয়া লিপা বলেন, কোনো বই নিষিদ্ধ হলে শুধু একটি গল্পই হারিয়ে যায় না, বরং হারিয়ে যায় মানুষের চিন্তা, মতপ্রকাশ এবং প্রশ্ন করার সুযোগ। তিনি বলেন, এই লাইব্রেরি সেই সব লেখক, বই ও পাঠকদের জন্য, যারা স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে বিশ্বাস করেন।
‘দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি’-তে ১০০টি বই রাখা হয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন সময়ে নিষিদ্ধ হয়েছে অথবা সেন্সরশিপের মুখে পড়েছে। বইগুলো চারটি বিষয়ের ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে—ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, কণ্ঠস্বর ও স্মৃতি।
দদদ
'দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি' নামের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এমন বইগুলোকে পাঠকদের সামনে তুলে ধরা, যেগুলো মুক্ত চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে উৎসাহিত করে এবং সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে বার্তা দেয়।
সংগ্রহে রয়েছে মার্গারেট অ্যাটউডের দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল, জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪, সিমোন দ্য বোভোয়ারের দ্য সেকেন্ড সেক্স, ইয়োকো ওগাওয়ার দ্য মেমোরি পুলিশ এবং সালমান রুশদির দ্য স্যাটানিক ভার্সেস-এর মতো আলোচিত বই।
দুয়া লিপা বলেন, তিনি চান এই লাইব্রেরি লেখক ও পাঠকদের জন্য একটি নিরাপদ জায়গা হয়ে উঠুক। যেখানে সবাই স্বাধীনভাবে বই পড়তে, নতুন ধারণা জানতে এবং মতবিনিময় করতে পারবেন।
বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে স্কুল ও পাবলিক লাইব্রেরিতে বই নিষিদ্ধ করার ঘটনা বাড়ছে।
এমন পরিস্থিতিতে পাঠকদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বইগুলো তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন দুয়া লিপা।





































