বিটিএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মির্জা আবুল বাশারকে প্রতারণার একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ব্যবসায়ী এবং জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নানা গুঞ্জন। মির্জা আবুল বাশার ও নায়িকা ববিকে স্বামী-স্ত্রী বলেও আখ্যা দিয়েছে অনেকেই। অনেকেই আবার কথিত স্বামী বলে উল্লেখ করেছেন। এ ঘটনার খবর কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমেও দাবি করা হয়।
এ বিষয়টি নিয়ে শনিবার রাতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি দেন ববি। এই নায়িকা লেখেন, ‘শনিবার বিকেল থেকে ব্যবসায়ী মির্জা আবুল বাশারকে কেন্দ্র করে আমাকে নিয়ে বেশ কিছু গণমাধ্যমে চটকদার সংবাদ প্রকাশ করেছে। সেখানে বাশারের সঙ্গে জড়িয়ে “কোথাও কথিত স্ত্রী’’, “কোথাও স্ত্রী’’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘মূলত ভিউ বাণিজ্য ও আমার সম্মানহানি করতেই একটি কুচক্রী মহল এ কাজ করছে। তবে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। আমাকে হেয় করার জন্য যেসব গণমাধ্যম ভুয়া খবর ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন, যদি বিয়ে নামে পবিত্র সম্পর্কে জড়িয়ে থাকি, সেটি অবশ্যই আমি নিজ থেকে সামনে আনব।’
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে এডিসি আল আমিন হোসাইন জানান, গাড়ি কেনাবেচার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর গুলশান থানায় আবুল বাশারের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের হয়। এরপর থেকে তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হলেও তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে গুলশান-১ এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে আবুল বাশার বাসার ভেতরে থাকা একটি সুড়ঙ্গসদৃশ গোপন স্থানে লুকিয়ে ছিলেন। প্রায় ১৮ ঘণ্টার অভিযানের পর শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।






































