ইউরোপের দলগুলো বলতে পারে- ছোট মুখে বড় কথা। সাতবার বিশ্বকাপ খেলে চারবার শেষ ষোলোয় খেলেছে এশিয়ার দল জাপান। কোয়ার্টারের স্বাদ পায়নি একবারও। চলতি বিশ্বকাপে ভালো খেলছে সামুরাইরা। নেদারল্যান্ডসকে রুখে দেওয়ার পর তিউনিশিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের সবচেয়ে বড় ৪-০ গোলের জয় পেয়েছে।
তবু দলটির নকআউট পর্বে খেলা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এর মধ্যেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নের কথা বলা মানে সাহস দেখানো বটে। ওই সাহসটা দেখিয়েই ফেলেছে জাপান। দলটির মিডফিল্ডার ডায়চি কামাদা বলেছেন, ‘এই জয়টা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই তিন পয়েন্ট খুব করে দরকার ছিল। আমাদের এখনো নকআউট নিশ্চিত হয়নি। প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা তিন স্থান কোনটি নির্ধারণ হয়নি।’
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে গোল করে দলকে জয়ের সমান সমতা এনে দিয়েছিলেন কামাদা। তিউনিশিয়ার বিপক্ষে দলের প্রথম গোলটি করেছেন তিনি। তিউনিশদের বিপক্ষে ম্যাচটি অর্জনের বলে উল্লেখ করেছেন ক্রিস্টাল প্যালেসের ২৯ বছর বয়সী মিডফিল্ডার কামাদা, ‘তবে এটা বলতেই পারি, আমরা কিছু একটা অর্জন করেছি। আমরা সত্যিই এবার বিশ্বকাপ জিততে চাই। আশা করি, আমি দলকে লক্ষ্যে যেতে সহায়তা করতে পারবো।’
কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ভালো শুরু করেছিল জাপান। কিন্তু নকআউট পর্বে টাইব্রেকারে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হৃদয় ভেঙেছিল তাদের। কামাদা মনে করেন, গত বিশ্বকাপ ভালো যায়নি তার। তবে এবার তিনি উদ্বুদ্ধ, ‘সত্যি বলতে, কাতারের পারফরম্যান্সে আমি খুশি ছিলাম না। কিন্তু এবার বাড়তি অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। গত চার বছর অনেক পরিশ্রমও করেছি।’






























