• ঢাকা
  • বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১,

ক্যাম্পাস খোলার আগেই ছাত্রী হলের সিট বরাদ্দের পরিকল্পনা জবির


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ২৫, ২০২১, ০৯:৩৩ পিএম
ক্যাম্পাস খোলার আগেই ছাত্রী হলের সিট বরাদ্দের পরিকল্পনা জবির

একাধিকবার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রায় ১১ বছর পর খুলতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল। হলটি ছাত্রীদের উঠার জন্য প্রায় প্রস্তুত। ক্যাম্পাসে সশরীরে ক্লাস শুরু হলেই তোলা হবে ছাত্রীদের। প্রণয়ন করা হয়েছে হলের নীতিমালা। ক্যাম্পাস খোলার আগেই ছাত্রী হলের সিট বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

জবি প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, হলের কাজ প্রায় শেষ। ফিনিশিং পর্যায়ে আছে। উপাচার্য স্যার আমাদের জানিয়েছেন ক্যাম্পাস খোলার আগেই যেন ছাত্রীদের উঠার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যায়। এছাড়া আমরা হলের একটি নীতিমালা খসড়া তৈরি করেছি। আগামী সিন্ডিকেট মিটিংয়ে তা পাশ হতে পারে। ক্যাম্পাস খোলার আগেই সিট বরাদ্দের জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে উপাচার্য স্যার আরও ভালো বলতে পারবেন।

জানা যায়, এর আগে হল নির্মাণের প্রথম দফায় মেয়াদ ছিল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত। কাজ শেষ না হলে তা বেড়ে দ্বিতীয় মেয়াদ ২০১৩ সালের জুন থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত। এরপর তৃতীয় দফায় মেয়াদ ২০১৬ সালের জুন থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করায় বর্তমানে ফিনিশিং কাজ চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাত হোসেন বলেন, আমাদের কনস্ট্রাকশনের কাজ প্রায় শেষ। কিছু ফিনিশিং কাজ বাকি আছে। দ্রুতই সেটি শেষ হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাইলে আমরা কাজ বুঝিয়ে দেব।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. মীজানুর রহমানের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে হলের কাজ শেষ না হলেও নিজের নামফলক স্থাপনের জন্য ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে তড়িঘড়ি করে হল উদ্বোধন করেন। তবে সে সময় হল উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্বোধক হিসেবে চেয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য বরাবর দেওয়া হয়েছিল স্মারকলিপি আবেদনও। কিন্তু সাবেক ভিসি উদ্বোধকের জায়গায় নিজের নাম স্থাপনে শিক্ষার্থীদের আবেদনটি তোয়াক্কা করেননি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম বলেন, ছাত্রী হলের নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। আগামী সিন্ডিকেটে পাস হবে। নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী হলে ছাত্রী উঠানো হবে। কোনো ধরনের প্রভাব খাটিয়ে হলের সিট পাওয়া যাবে না। এছাড়া সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হলে উঠানোর জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। যাদের হলে সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে ক্যাম্পাস খুললে তারা সরাসরি হলে উঠবে। মেসে বা বাসায় তাদের উঠতে হবে না।
 

শিক্ষা বিভাগের আরো খবর

Link copied!