কক্সবাজার শহরের মাঝির ঘাট এলাকায় ট্রলার থেকে সাড়ে চার লাখ এবং বাড়ি থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দের মামলায় ট্রলার মালিক সুলতান আহমদকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা ও ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে আরো ২ বছর সাজা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার আরও ৮ আসামির প্রত্যেককে ৭ বছর কারাদণ্ড, নগদ এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় দেন। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ( পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ট্রলার মালিক সুলতান আহামদ শহরের রুমালিয়ারছড়া পিটি স্কুল এলাকার মো. আবু বকরের ছেলে।
অপর আসামিরা হলেন লক্ষীপুর রামগতি ৫নং ওয়ার্ডের আলেকজান্ডার (রুস্তম আলী মিত্রিবাড়ী) বাসিন্দা আবদুল মতলবের ছেলে আবদুর রউফ, রংপুর মিঠাপুকুরের বৈরাতিহাট সুজন গয়েশপুর এলাকার বাসিন্দা আবদুল গফুরের ছেলে মো. আ. রাজ্জাক মিয়া, খাগড়াছড়ি রামগড় শালবাগান এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে মিজানুর রহমান, মিয়ানমারের আকিয়াবের রাচিডং রাজারবিল এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. হাবিবুল্লাহ, মংডু বুচিডং মুন্নিপাড়ার মো. আবদুল্লাহর ছেলে জাহিদ হোসেন, মৃত নুর বশরের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর, সৈয়দ হোসেনের ছেলে মো. আবদুল হামিদ ও আবদুল রাজ্জাকের ছেলে মো. ওসমান গনি। রায় ঘোষণার সময় সকলে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
পিপি ফরিদুল আলম জানান, ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহরের মাঝির ঘাট এলাকায় সুলতান আহমদের ট্রলার থেকে সাড়ে চার লাখ ইয়াবা জব্দ করে র্যাব। এ সময় ওই ট্রলারে থাকা ৮ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুসারে সুলতান আহমদের বাড়ি থেকে আরও ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সুস্পষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষে ৯ জনের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন আদালত।






































