• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১, ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বেড়েই চলছে যমুনার পানি


পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২১, ০২:০৬ পিএম
বেড়েই চলছে যমুনার পানি

থেমে নেই পাবনায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি। উজানের ঢল আর টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে যমুনার পানি। নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করায় উঠতি নানা ফসল ও সবজির ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় দিশেহারা চাষিরা। 

পাবনা পানি উন্নয়ন নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম চৌধুরী জানান, জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদনদীর পানি কমা-বাড়া করছে। মঙ্গলবার সকালে যমুনা নদীর পানি বেড়ে নগরবাড়ি পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর পদ্মা নদীর পানি পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং বড়াল নদীর পানি কিছুটা বেড়ে বড়াল ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কৃষি দপ্তর বলছে, জেলা সদরসহ ঈশ্বরদী, বেড়া, সুজানগরসহ কয়েকটি উপজেলার নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে সবজি ও ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। কোটি কোটি টাকার ফসল ও সবজির ক্ষতির সম্মুখীন চাষিরা। অন্যদিকে কিছু কিছু স্থানে পানি প্রবেশ করায় জনসাধারণের বাড়তি ভোগান্তি যোগ হয়েছে প্রাত্যহিক জীবনে। কিছু স্থানে নদীতে ভাঙন ও পানি বৃদ্ধির ফলে নদী তীরবর্তী মানুষ তাদের ঘর বাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন।  

নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, জীবনটা ভালো যাওয়া নির্ভর করে বর্ষা মওসুমের ওপর। পদ্মা ও যমুনা নদী ভয়াল রূপ ধারণ করে এই সময়ে। রাতের আঁধারে আমাদের জায়গা-জমি নদীতে হারিয়ে যায়। অল্পতেই যদি এই ভাঙন রোধ করা না যায় তাহলে আমরা মহাবিপাকে পড়বো। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবো। আগে থেকেই সরকারি পদক্ষেপ জরুরি বলে দাবী ভুক্তভোগীদের।

জানা যায়, জেলার বেড়া উপজেলার হাটুরিয়া, নাকালিয়া, সুজানগরের নাজিরগঞ্জ, সাতবাড়িয়া, মালিফা, ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা, সাড়া ও পাকশী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম ভাঙনের শিকার হয়েছে। পাশাপাশি নিম্নাঞ্চল ডুবে গেছে। ক্ষতি হয়েছে উঠতি ফসল ও সবজি ক্ষেতের।

এদিকে বন্যা ও ভাঙনের ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রেখেছে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর। দপ্তরের জেলা কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, বন্যা, পানি বৃদ্ধি বা ভাঙন এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রয়োজন হলেই সরকারি ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে। 

Link copied!