• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১, ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

ধরলার পানি বাড়ছেই, স্থির ব্রহ্মপুত্রের


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২১, ০২:৫২ পিএম
ধরলার পানি বাড়ছেই, স্থির ব্রহ্মপুত্রের

কুড়িগ্রামে ধরলার পানি বাড়ছেই। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এদিকে তরতর করে বেড়ে কিছুটা স্থির ব্রহ্মপুত্রের পানি।

চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ব্রহ্মপুত্রের পানি।

এছাড়াও বিপৎসীমা না ছুলেও বেড়েছে তিস্তা, দুধকুমার ও শঙ্কোসের পানি।  এতে নদ-নদীপাড়ের নীচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। এতে জেলার নিম্ন এলাকাগুলোর প্রায় অর্ধ লাখ মানুষ পানিবন্দী হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, আগামী দুই দিন বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি। এরপর আবারও আগের অবস্থায় ফিরতে পারে নদ-নদীগুলো। তখন বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। তবে আগামী ২ ঘণ্টা ভারী ও মাঝারি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে উজানে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাতের কারণে পানি বাড়তে পারে ধরলা ও তিস্তায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার রৌমারী, রাজিবপুর, চিলমারী ও উলিপুর উপজেলায় বেশি সংখ্যাক মানুষ পানিবন্দী হয়েছে। এছাড়াও নাগেশ্বরী ও সদর উপজেলার কিছু এলাকা প্লাবিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।

ধরলার পানি বেড়ে সদর উপজেলার হলোখানা, ঘোগাদহ, পাঁচগাছি, ভোগডাঙ্গা কাঠালবাড়ি ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা তলিয়ে গেছে। এদিকে নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা, রায়গঞ্জ, বেরুবাড়ী, নুনখাওয়া ও নারায়ণপুর ইউনিয়নে বেশ কিছু পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। উলিপুরের হাতিয়া ইউনিয়নের সবচেয়ে বেশি মানুষ সৃষ্ট বন্যায় বিপাকে।

চিলমারী উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে পানিবন্দ হাজারো মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, মূলত উজানে ভারত অংশে ভারী বর্ষণের ফলে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে পানি বাড়ছে। আরও দুইদিন পানি বাড়তে পারে ধরলায়। তবে ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়ার সম্ভাবনা কম।

এখন পর্যন্ত অনেক এলাকায় সরকারি সহায়তা না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন বন্যা কবলিতরা। কয়েকদিন ধরে খাবার কষ্টে আছেন তারা। 

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, এ পর্যন্ত জেলার বানভাসিদের জন্য ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ২৮০ মেট্রিক টন চাল ও দুই হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমানে ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে। নিয়মিত বিতরণের পাশাপাশ যে কেউ চাইলে তাকে সহায়তা করা হবে।

Link copied!