৬৬২ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেল আফগানিস্তানের ব্যাটাররা। তাসকিন আর শরিফুলের বোলিং তোপে দুই উইকেট হারিয়েছে দলটি।
দ্বিতীয় ইনিংসে শরিফুলের প্রথম বলেই এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পরেন ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান। রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। এবার দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে তাসকিনের শিকার হন আবদুল মালিক। ৫ করেন এই ওপেনার ব্যাটার।
শেষ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আফগানদের সংগ্রহ দুই উইকেট হারিয়ে ২০ রান। ক্রিজে ৫ রানে রহমত শাহ ও অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শাহিদী ২ রানে অপরাজিত আছেন।
এর আগে ৪২৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এর ফলে সিরিজের একমাত্র টেস্টে আফগানদের ৬৬২ রান টপকিয়ে ম্যাচ জিততে হবে।
শুক্রবার (১৬ জুন) ৩৭০ রানের লিড নিয়ে দিন শুরু করে বাংলাদেশ। জাকির হাসান ও নাজমুল শান্ত গড়েন ১৭১ রানের জুটি। তবে শতকের সুযোগ মিস করেন জাকির। ব্যক্তিগত ৭১ রানে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান এই ব্যাটার। এরপর মমিনুল হককে নিয়ে প্রথম সেশন শেষ করেন শান্ত। শান্ত তুলে নেন দুই ইনিংসে দুই সেঞ্চুরি। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান। লাঞ্চ থেকে ফিরে এসে ১২৪ রানে আউট হয় শান্ত। তার এই ইনিংসে ১৫টি চারের মার ছিল। জহির খানের একই ওভারে মুশফিকও বিদায় নেন ৮ রানে। এরপর মমিনুল ও লিটনের ১৪৩ রানের জুটিতে ৬৬১ রানের লিড নেয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ৪ উইকেট হারিয়ে ৪২৫ রান করে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে। লিটন পূর্ণ করেন অর্ধশতক। মমিনুল তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি। মমিনুল ১৪৫ বলে ১২১ রান করেন। ১২টি চার আর ১টি ছয়ে সাজান তার এই ইনিংস। অধিনায়ক লিটন ৮১ বলে ৮ চারে ৬৬ রান করেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে শান্তর সেঞ্চুরি আর মাহমুদুল হাসান জয়ের অর্ধশতকের উপর ভর করে বাংলাদেশ করে ৩৮২ রান তোলে। এরপর বাংলাদেশি বোলারের কারিশমায় ১৪৬ রান করেই অলআউট হয়ে যায় হাসমতউল্লাহ শাহিদীর দল। পেসার ইবাদত ৪৭ রানে নেন ৪ উইকেট। ফলে ২৩৬ রানের লিড নেয় বাংলাদেশ।



































