আইসিসি আগামী চক্রে নতুন অর্থনৈতিক মডেল করেছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই আগামী চক্রে নতুন মডেলে আইসিসির আয় থেকে প্রতি বছর ২৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উপার্জন করার মাধ্যমে সর্বোচ্চ উপার্জকারী বোর্ড হবে। নতুন মডেলে বাংলাদেশ আইসিসি থেকে কত টাকা পাবে?
অন্য দুটি বড় বোর্ডের সাথে তুলনায় ভারত আয়ের দিক থেকে বেশ এগিয়ে থাকবে। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এবং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) যথাক্রমে ৪১.৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৬.৮৯% এবং ৩৭.৫৩ মিলিয়ন বা ৬.২৫% আয় করতে পারে।
শুধুমাত্র মিডিয়া স্বত্ত্ব বিক্রি থেকে আইসিসি সামগ্রিক বার্ষিক ৩.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। মিডিয়া স্বত্বের বৃহত্তর অংশ ভারতীয় বাজার থেকে আসে কারণ ডিজনি স্টার চার বছরের জন্য ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে। `বিগ থ্রি` (বিসিসিআই, সিএ এবং ইসিবি) ছাড়াও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বাকি নয়টি পূর্ণ সদস্যের মধ্যে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আয় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্য বোর্ডগুলোর মধ্যে নিউজিল্যান্ড পাবে ৪.৭৩% হারে ২৮.৩৮ মিলিয়ন ডলার বা ৩০৪ কোটি টাকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪.৫৮% হারে ২৭.৫০ মিলিয়ন ডলার বা ২৯৫ কোটি টাকা। শ্রীলঙ্কা ৪.৫২% হারে ২৭.১২ মিলিয়ন ডলার বা ২৯০ কোটি ২০ লাখ টাকা।
আয়ের দিন থেকে বাংলাদেশ আছে অষ্টম স্থানে। বিসিবি পেতে পারে ৪.৪৬% হারে ২৬.৭৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা। দক্ষিণ আফ্রিকা পেতে পারে ৪.৩৭% হারে ২৬.২৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৮১ কোটি টাকা।
আয়ারল্যান্ড ৩.০১% হারে ১৮.০৪ মিলিয়ন ডলার বা ১৯৩ কোটি টাকা। জিম্বাবুয়ে ২.৯৪% হারে ১৭.৬৪ মিলিয়ন ডলার বা ১৮৯ কোটি টাকা প্রায়। আফগানিস্তান ২.৮০% হারে ১৬.৮২ মিলিয়ন ডলার বা ১৮০ কোটি টাকা প্রায়।
তবে আইসিসির নতুন প্রস্তাবিত মডেলটি এখনও ঠিকঠাক হয়নি কারণ পূর্ণ সদস্যরা এখনও এই বিষয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া জানায়নি। চুক্তি চূড়ান্ত হলে পূর্ণ সদস্য তালিকায় থাকা কিছু দেশের ক্ষেত্রে সম্প্রচার সত্ত্বের মান হ্রাসের সম্ভাবনা আছে।



































