টেস্ট হারের ভয় কাটিয়ে অবিশ্বাস্য ড্র তুলে নিল আফগানিস্তান। এতে হতাশাচ্ছন্ন বাংলাদেশ। এই টেস্টে জিতলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় কিছু প্রাপ্তি হতো না। তবে সম্মানের ঘরে বড় পয়েন্ট যোগ হতো। জিততে না পারায় সম্মানহানি হয়েছে বাংলাদেশের। তবে না হারায় লজ্জার মাত্রাটা একটু কম।
জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে ৩ উইকেটের প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। তবে শেষ পর্যন্ত হাল ছাড়েননি আফগানিস্তানের ব্যাটাররা। ৪৭৯ রানের লক্ষ্যে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রানে দিন শেষ করেছে তারা। কাইস আহমেদ ৪৯ রানে ও জিয়া-উর-রহমান ০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
এর আগে বাংলাদেশকে হতাশ করেছে ১৮ ওভার টিকে থাকা ইয়ামিন আহমাদজাই (১৯) ও কাইস আহমেদের (৪৯) ৪৫ রানের জুটি। এ জুটিও শেষ পর্যন্ত ভাঙা সম্ভব হয়। কিন্তু শেষ তিন ওভারে আর বাকি দুই উইকেট নিতে পারেননি বাংলাদেশ বোলাররা। তাই ৪৭৯ রানের লক্ষ্যে নেমে হার এড়াতে সক্ষম হয় আফগানিস্তান। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার চতুর্থ ইনিংসে ১৪২ ওভার খেলার রেকর্ডও গড়েছে তারা।
বাংলাদেশের হয়ে শেষ ইনিংসে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন ইবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। একটি করে উইকেট নেন তাইজুল ও হাসান মাহমুদ। পুরো ইনিংস জুড়েই সেদিকুল্লাহ অতলের ব্যাটিং আফগানদের হয়ে লড়েছে। ৩৩২ বলে ১১১ রানের ইনিংস খেলেছেন এই ওপেনার।
অবশ্য টেস্ট জয় একেবারে অসম্ভব ছিল না বাংলাদেশের জন্য। ফিল্ডিংয়ে নিজেদের কিছু ভুল বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। উইকেটের পেছনে লিটন দাসের মিস সেঞ্চুরির সুযোগ করে দেয় সেদিকুল্লাহকে। এছাড়া কাইস আহমেদের ইনিংসের শুরুতেই মিরাজের বলে হাসান মাহমুদের তার ক্যাচ ফেলা এবং নাঈম হাসানের রানআউটের সুযোগ মিস – বাংলাদেশের এই টেস্টে জয় কঠিন করে তোলে।

















