কান্না থামছিলই না লিওনেল মেসির। পেনাল্টি পেয়েও মিস করেছিলেন তিনি। তাতে মিসরের সঙ্গে পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানো হয়নি। উল্টো বিরতির পর আর্জেন্টিনা পিছিয়ে পড়ে ২-০ গোলে।
সেখান থেকে থ্রিলার সিনেমার মত আর্জেন্টিনা ম্যাচটা জিতেছে ৩-২ গোলে। এর রূপকার মেসি নামের জাদুকর। তার ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে ৭৯ মিনিটে সমতা ফেরান রোমেরো। ৪ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের মাথায় সমতা ফেরান মেসি নিজেই। এরপর এনসো ফের্নান্দেসের হেডে রুদ্ধশ্বাস জয় পায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচ শেষে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি মেসি। কেঁদেই চলেছিলেন তিনি। একে একে সতীর্থরা জড়িয়ে ধরে জানাচ্ছিলেন অভিনন্দন। কান্নার দমক বাড়ছিল ততই। মেসিকে দেখে গ্যালারিতেও কাঁদছিলেন অনেক দর্শক। কোচ লিওনেল স্কালোনি তো কাঁদতে কাঁদতে কথাই বলতে পারেননি টিওয়াইসি স্পোর্টসে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়।
এটা আনন্দাশ্রু। এভাবেও ম্যাচ জেতা যায়, হাল না ছাড়া যায় আর জাদু দেখানো যায় বল পায়ে-অকল্পনীয় এসবই করলেন মেসি। ম্যাচ শেষে তাই সতীর্থরা তাকে শূন্যে ভাসিয়ে করেছেন উদযাপন। কেবল সে সময়ই কিছুটা হাসি ফুটে উঠে তার মুখে।
আবেগি মেসি যেমন কেঁদেছেন, কাঁদিয়েছেন, তেমনি ভাসিয়েছেন রেকর্ডেও।
৮
আর্জেন্টিনার হয়ে কোন বিশ্বকাপে ভাগ বসালেন গুইয়ের্মো স্তাবিলের আটটি গোলের রেকর্ডে । স্তাবিল ১৯৩০ সালের উরুগুয়ে বিশ্বকাপে করেছিলেন ৮ গোল। এবার মেসিও করলেন ৮ গোল।
৬
মেসিই প্রথম খেলোয়াড় যিনি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল করলেন টানা ছয় ম্যাচে।
৩১
প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে খেললেন ৩১ ম্যাচ।
২১
একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে তার গোল ২১টি। কিলিয়ান এমবাপ্পের গোল ১৯টি।
৯
বিশ্বকাপে মেসির অ্যাসিস্ট এখন ৯টি। তিনি পেছনে ফেললেন ডিয়েগো ম্যারাডোনার ৮ অ্যাসিস্টের রেকর্ড।
৯
টানা ৯টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করলেন মেসি। এবারের বিশ্বাকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল, জর্ডান ,কেপ ভার্দে ও মিসরের সঙ্গে করলেন একটি করে গোল।






























