যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যুর কয়েক মাস পর সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার আয়োজন করতে যাচ্ছে ইরান সরকার।
ইরান ছাড়াও ইরাকজুড়ে ৪ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত খামেনির জানাজাকে ঘিরে বড় আয়োজনের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।
কর্মকর্তারা তেহরান, কোম ও মাশহাদ এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালা জুড়ে কয়েকদিনের কর্মসূচি চূড়ান্ত করেছেন। জানাজাকে একটি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনুষ্ঠানে পরিণত করার চেষ্টা করছে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটি।
ইরান সরকার জানাজায় উপস্থিতির সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরাক নিশ্চিত করেছে, রাজধানী বাগদাদের দক্ষিণে অবস্থিত শিয়াদের দুটি পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায় খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ইরাকের পপুলার মবিলাইজেশন ইউনিটস এই অনুষ্ঠানগুলো কভার করার জন্য স্থানীয় ও বিদেশী গণমাধ্যমকে স্বীকৃতিপত্রের জন্য নিবন্ধন করতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সি জানাজা ও সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের একটি সময়সূচি প্রকাশ করেছে।
সূচি অনুসারে, ৩ জুলাই তেহরানে বিদেশী নেতা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য একটি সম্মাননা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং ৪ ও ৫ জুলাই রাজধানীর ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় প্রকাশ্য বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
আগামী ৬ জুলাই রাজধানীতে একটি জানাজা মিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
৭ই জুলাই কোমে, ৮ই জুলাই নজফ ও কারবালায় এবং ৯ই জুলাই মাশহাদে আরও অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেটিকে ইরানের শিয়াদের আধ্যাত্মিক রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই শহরটি খামেনির নিজ শহর এবং তাকে সেখানেই ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে, যা শিয়া ইসলামের অন্যতম পবিত্র স্থান এবং একটি প্রধান তীর্থস্থান।
সূত্র : সিএনএন





































