• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১,

ইভ্যালি-আলেশা মার্ট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কাল


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২১, ০৯:৪৮ পিএম
ইভ্যালি-আলেশা মার্ট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কাল

দেশের বহুল পরিচিত ই-কমার্স ব্যবসাপ্রতিষ্ঠা ইভ্যালি ও আলেশা মার্টসহ অন্যান্য সাইটগুলোর কার্যক্রম কেমন হবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা নির্ধারণে বৈঠক করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৩০ জুন) সকাল ১১টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা নির্ধারণ করা হবে।।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক, ডব্লিউটিও সেল) হাফিজুর রহমান বলেন, "স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক। আইন মন্ত্রণালয় থাকছে এতে, ভেটিংয়ের দরকার আছে কি না, বোঝার জন্য। না থাকলে নির্দেশিকা খুব শিগগির জারি করা হবে।"

ডিজিটাল কমার্স বা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সেবার অসুবিধার দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১ প্রণয়ন করা হচ্ছে। জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, ২০২০ (সংশোধিত)-এর আওতায় নির্দেশিকাটি তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নির্দেশিকার একটি খসড়া তৈরি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ই-কমার্স সেল। এতে বর্তমানে এক হাজার প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা রয়েছে।

এ নির্দেশিকার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনায় স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। পণ্য বা সেবা কেনাবেচা, ফেরত ও পরিবর্তনের শর্ত প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে বা মার্কেটপ্লেসে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। পণ্য ও সেবা বিক্রি বা প্রসারের জন্য কোনো ধরনের লটারি বা লটারিজাতীয় কোনো ব্যবস্থাও নিতে পারবে না কোনো প্রতিষ্ঠান। কোন পণ্যের স্টক কতটুকু রয়েছে, তা-ও জানাতে হবে গ্রাহকদের।

ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা যা যা থাকছে_

  • ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়েবসাইট, মার্কেটপ্লেস বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য পণ্যের যাবতীয় বিষয় ও শর্তাবলি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। পণ্যমূল্য ফেরতের শর্তাবলি, তার কোনো পরিবর্তন, সরবরাহের সময়সীমা সবকিছু উল্লেখ থাকতে হবে।
  • ডিজিটাল কমার্সের মাধ্যমে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না।
  • নেশাসামগ্রী, বিস্ফোরক দ্রব্য বা অন্য কোনো নিষিদ্ধ সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না।
  • ওষুধ ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।
  • ক্রেতার ব্যক্তিগত কোনও তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হলে আগেই ক্রেতার অনুমতি নিতে হবে।
  • ডিজিটাল ওয়ালেট, গিফট কার্ড, ক্যাশ ভাউচার বা অন্য কোনো মাধ্যম যা অর্থের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিয়ে করতে হবে।
  • কোনো ধরনের অর্থ ব্যবসা পরিচালনা করার ক্ষেত্রে অবশ্যই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে।
  • ক্রেতাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো পণ্য কেনার জন্য বাধ্য করা যাবে না।
  • সব ডিজিটাল কমার্স ব্যবসায়ীকে ট্রেড লাইসেন্স/ভ্যাট নিবন্ধন/টিআইএন/ইউবিআইডি/পিআরএ নিতে হবে।
Link copied!