• ঢাকা
  • রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১, ১১ শাওয়াল ১৪৪৫

৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪, ১০:৫০ এএম
৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু

সরকার বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেবে। শূন্য পদের বিপরীতে এ নিয়োগ দিতে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ১৮ মার্চ পর্যন্ত। ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৯ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এ-সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে।  

এনটিআরসিএর পরিচালক (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) কাজী কামরুল আহছান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এনটিআরসি কর্মকর্তারা বলছে, এই শূন্য পদের তালিকা চাওয়ার মাধ্যমে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হলো। শূন্য পদের তালিকা পাওয়ার পর তা যাচাই করে দ্রুত সময়ের মধ্যে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে এবং এ বছরের মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করা হবে।

এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল এনটিআরসিএ। এরপর থেকে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত শূন্যপদ ধরে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে ৫০ থেকে ৫৫ হাজারের বেশি পদ ফাঁকা থাকতে পারে।

জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তির প্রকাশ করতে যাচ্ছে সরকার। তার আগে সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন্ন পদের তালিকা সংগ্রহ করা হবে। সে জন্য বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে  এনটিআরসিএ।

নির্দেশনায় বলা হয়, পঞ্চম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের লক্ষ্যে দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনা) থেকে অনলাইনে এমপিওভুক্ত শূন্য পদের চাহিদা সংগ্রহের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রম চলবে ১৮ মার্চ পর্যন্ত। আর ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৯ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত।

এতে বলা হয়, পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় এনটিআরসিএর অধিভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নতুনভাবে চাহিদা প্রদান করতে হবে। আগের কোনো গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় চাহিদা কোনোভাবেই বহাল থাকবে না। এ জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুনরায় সব শূন্য পদের চাহিদা পাঠাতে হবে। অফলাইনে, হার্ডকপিতে অথবা ই-মেইলে কোনো চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না।

যেভাবে পাঠাতে হবে চাহিদা

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের নিজস্ব User ID ও Password ব্যবহার করে http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে অথবা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) ই-রিকুইজিশন নামক সেবা বক্সের ই-রিকুইজিশন লগইন অপশনে ক্লিক করে e-Requisition প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে অনলাইন ফরমটি পূরণপূর্বক শুধু MPO ভুক্ত শূন্যপদের পদ লেখে পাঠাবেন‌। অনলাইন ফরমটি পূরণের সময় এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে দেওয়া ই-রিকুইজিশন সংক্রান্ত নির্দেশিকাটি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত শূন্য পদের তালিকাটি ই-রিকুইজিশন গ্রহণকালে একই সঙ্গে আঞ্চলিক পরিচালক/উপপরিচালক যাচাই করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত শূন্য পদের তালিকায় কোনো ভুল লক্ষ করলে আঞ্চলিক পরিচালক/উপপরিচালক সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।‌ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ই-রিকুইজিশনটি সংশোধনপূর্বক নির্ধারিত তারিখের মধ্যেই এনটিআরসিএ বরাবর Submit করবেন।

Link copied!