স্পেসএক্স ও টেসলা ইনকরপোরেটেডে তাঁর মালিকানাধীন শেয়ারের মূল্য বাড়ায় তাঁর সম্পদে এই উল্লম্ফন হয়েছে। অক্টোবরের শুরু থেকে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ১৩ শতাংশ বেড়েছে। আর টেসলার শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।
জুনে স্পেসএক্সের রেকর্ড পরিমাণ প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) পর কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়ে গেলে মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হন। তবে কোম্পানিটির আকাশচুম্বী মূল্যায়ন নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেওয়ার পর শেয়ারের দাম দ্রুত কমে যায়। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সেই অবস্থান হারান তিনি।
গত জুলাইয়ের শেষ নাগাদ মাস্কের সর্বোচ্চ সম্পদ থেকে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি পতন ঘটেছিল—যা ব্লুমবার্গের বিশ্বের ৫০০ ধনীর তালিকায় থাকা মাস্ক ছাড়া অন্য যেকোনো ব্যক্তির পুরো সম্পদের চেয়েও বেশি।
উভয় প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক অর্জনের ওপর ভিত্তি করে মাস্কের সম্পদে নতুন করে এই সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। সোমবার মরগ্যান স্ট্যানলির বিশ্লেষকেরা স্পেসএক্সকে মহাকাশ ও গোয়েন্দা খাতের ‘শক্তিশালী সম্ভাবনা’ কাজে লাগানোর অন্যতম সেরা মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর ফলে আগস্টের মন্দা অবস্থা থেকে মহাকাশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম এক লাফেই ৫৮ শতাংশ পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।
অন্যদিকে, গত সপ্তাহে টেসলা তৃতীয় প্রান্তিকে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো বিক্রির খবর জানিয়েছে।
ব্লুমবার্গের সম্পদ সূচক অনুযায়ী, ইলন মাস্কের মোট সম্পদের ৯৮ শতাংশেরও বেশি আসে স্পেসএক্স এবং টেসলায় থাকা তাঁর শেয়ার থেকে।





















