• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫
ভারত-কানাডা মুখোমুখি

পাঁচ চোখের তথ্য কানাডার কাছে, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৩, ০১:০৬ পিএম
পাঁচ চোখের তথ্য কানাডার কাছে, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । সংগৃহীত

ভারত-কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কে উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কূটনীতিকের মন্তব্যে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কানাডায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড কোহেন একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, খালিস্তানপন্থী শিখ নেতার হত্যায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করেছে পাঁচটি দেশ। কূটনৈতিক স্তরে এই পাঁচ দেশ ‘ফাইভ আইস’ বা ‘পাঁচ চোখ’ বলেই পরিচিত। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

সাক্ষাৎকারে ওই কূটনীতিক বলেন, “পাঁচ চোখের মধ্যে বিনিময় করা গোয়েন্দা তথ্য কানাডাকে দেওয়া হয়েছে।” এই তথ্যগুলো ট্রুডোর অভিযোগকে সত্য প্রমাণে ‘সহায়তা’ করবে বলেও জানান তিনি। 

প্রসঙ্গত, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের জন্য একটি জোট গঠন করেছে। এই পাঁচ দেশকে একত্রে ‘পাঁচ চোখ’ বলা হয়।

সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্ট একটি প্রতিবেদনে বলেছিল, কানাডা শিখ নেতার হত্যা নিয়ে ভারতকে প্রকাশ্যে নিন্দা করার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে দেন জো বাইডেন প্রশাসন। সাক্ষাৎকার মার্কিন সংবাদমাধ্যমটির এই দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন কোহেন। 

জুনে খালিস্তান আন্দোলনের নেতা হারদীপ সিং নিজ্জারকে কানাডার একটি মন্দিরের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনার তদন্তে ভারতীয় সংস্থা ‘র’-এর ভূমিকা ছিল বলে কানাডার পার্লামেন্টের জরুরি অধিবেশনে দাবি করেন ট্রুডো। হারদীপ হত্যার ঘটনায় দায় অস্বীকার করে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাল্টা অভিযোগ করে, ভারতের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতির বিরোধী শক্তিকে কানাডা আশ্রয় দিচ্ছে বলে।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে কানাডার স্থায়ী প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে ট্রুডো বলেন, “কানাডার মাটিতে কানাডার নাগরিককে হত্যায় ভারত সরকারের এজেন্টরা জড়িত, এমনটা মনে করার বিশ্বাসযোগ্য কারণ রয়েছে।”

Link copied!