হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশের সব জাহাজ ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ইরান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানান, প্রণালীতে জাহাজের জট থাকায় তা শনাক্ত করতে কিছুটা সময় নিচ্ছে তেহরান।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জ্বালানি মজুত বাড়াতে সোর্সিং অব্যহত রেখেছে ঢাকা। কয়েকটি দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনাও চলছে।
এদিকে, পাকিস্তানে ২১ ঘন্টার শান্তি আলোচনাতে সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে বাংলাদেশ করছে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে সংলাপ চলমান থাকবে এবং শিগগিরই এই সংকটের সুরাহা হবে।
যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই, এই বার্তা শুরু থেকেই দিয়ে আসছে বাংলাদেশ। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সমাধানে কূটনীতিক আলোচনার কোন বিকল্প নেই বলেও মনে করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ সমস্যা দীর্ঘ হলে গোটা বিশ্বই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, হরমুজ প্রণালী ব্যবহারে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে তেহরান।
এ প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের কোনো জাহাজ যদি আটকে থাকে সেটা তারা ছেড়ে দেবে। আমরা শুনতে পেয়েছি যে, এখন অনেক জাহাজ সেখানে আটকে আছে। বিভিন্ন দেশের জাহাজ ওখানে আছে। তো তারা (ইরান) পর্যায়ক্রমে সেগুলো ছেড়ে দেবে। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাথে তাদের যোগাযোগ আছে। আমার কাছে যেটুকু তথ্য আছে, (সে অনুযায়ী) ইরান আশ্বস্ত করেছে আমাদেরকে যে, আমাদের কোনো জাহাজ ওখানে আটকে থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে সরকার। পাশাপাশি জ্বালানির জন্য বিকল্প উৎসও খোঁজা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, 'জ্বালানির কোনো সংকট নেই। কিন্তু সোর্সিংও করা হচ্ছে। আমাদের যাতে আগামী তিন থেকে চার মাসের জ্বালানির মজুত থাকে সে লক্ষ্যে, আমি যতটুকু জানি, জ্বালানি মন্ত্রণালয় কাজ করছে।'
এদিকে, এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বাংলাদেশ জার্নাল/জে



































