নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমার নাম ‘মুভিং বাংলাদেশ’। দেশে পাঠাও অ্যাপের যাত্রা শুরুর গল্প নিয়ে হবে সিনেমাটি। কীভাবে একদল তরুণ ঢাকার যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে নিজেরাই একটি উপায় বের করে ফেলল—সে গল্পই দেখানো হবে সিনেমায়।
এখনো সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়নি। তবে শুটিংয়ের আগেই তাইওয়ান সরকারের কাছ থকে সিনেমাটি পাচ্ছে ৮৯ হাজার ৮০০ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় সাড়ে ৭৬ লাখ টাকা।
সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন নুহাশ নিজেই। এরপর ফান্ডের জন্য আবেদন করেন। ভাগ্য সহায় হওয়ায় নির্বাচিত হন অনুদানের জন্য । টোকিও গ্র্যান্ট ফাইন্যান্সিং মার্কেট, কান উৎসবের মার্শে দ্যু ফিল্ম বাজার, লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসব এবং ভারতের ফিল্ম বাজার থেকে নির্মাণে নানা সহযোগিতা পাচ্ছে নুহাশের ‘মুভিং বাংলাদেশ’।
নুহাশ হুমায়ূন বলেন, “আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি ‘মুভিং বাংলাদেশ’কে বিশ্বের কাছে উপস্থাপনের চেষ্টা করে যাচ্চি। এটি খুব আশ্চর্যজনক যে, বাংলাদেশে এবং এর বাইরেও অনেক লোক এই প্রকল্পে আস্থা রাখে।”
ছবিটির অগ্রগতি বিষয়ে নুহাশ বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে শিল্পী নির্বাচন করছি। নতুন মুখ নিয়ে কাজটি করতে চাই। আগামী বছর এই প্রজেক্টের শুটিং শুরু করব।”
চলচ্চিত্রটির প্রযোজক বিজন ইমতিয়াজ বলেন, “স্টার্টআপের ঘটনাটি একটি বিশ্ব সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে এবং বাংলাদেশে তরুণরা ব্যবসা শুরু করেছে এবং এই নতুন স্বাভাবিক সময়ে তাদের জীবন পরিবর্তন করেছে। ‘মুভিং বাংলাদেশ’ হলো ‘পাঠাও’ নামের একটি দুর্দান্ত স্টার্টআপের সাফল্যের গল্প। এটি অবশ্যই বিশ্বব্যাপী বিশেষ করে এশিয়ার দর্শকদের সঙ্গে অনুরণিত হবে।”
বাংলাদেশের কোনো নির্মাতা এর আগে তাইওয়ান সরকারের এই ফান্ড পাননি। গল্পের মধ্যে কোনো সম্ভাবনা দেখলেই তরুণ নির্মাতাদের এই ফান্ড দেয় তাইওয়ান সরকার। তবে একটাই শর্ত, ছবিতে তাইওয়ানের প্রযোজক থাকতে হবে। বাংলাদেশ ছাড়াও মুভিং বাংলাদেশ–এ ইতিমধ্যে যুক্ত হয়েছেন ফ্রান্স ও তাইওয়ানের প্রযোজক।



































