বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ান খান মাদককাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় উত্তাল বলিউড। আরিয়ানকে গত দুই দিন জেরা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (এনসিবি)। সেই জেরায় আরিয়ান স্বীকার করেছেন, তিনি চার বছর ধরে মাদক সেবন করেন। শুধু তাই নয়, আরও বেশকিছু বিষয় প্রকাশ পেয়েছে সেই জেরায়।
চার পাতার বয়ানে অনেক কিছু বলেছেন আরিয়ান। বয়ানে এই তারকাপুত্র বলেছেন, “আমার বাবা শাহরুখ খান খুব ব্যস্ত মানুষ। এই মুহূর্তে একসঙ্গে তিনটি ছবির শুটিং করছেন তিনি। আর বাবা এতটাই ব্যস্ত যে অনেক সময় তার সঙ্গে দেখা করতে ম্যানেজার পূজার কাছে আমায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়।”
আরিয়ানের বিরুদ্ধে আদালতে বেশ কিছু প্রমাণ পেশ করেছে এনসিবি। এনসিবি আদালতকে জানিয়েছে যে, আরিয়ানের মুঠোফোন থেকে আপত্তিকর ছবি আর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট উদ্ধার করেছে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে আর্থিক লেনদেনের উল্লেখ আছে। আর এই আর্থিক লেনদেনের চ্যাট থেকে এনসিবি জানতে পেরেছে, যুক্তরাজ্য আর দুবাইয়ে মাদক নিয়েছেন আরিয়ান।
খবর অনুযায়ী, আদালতে শুনানির সময় নাজাল স্প্রে চেয়েছিলেন আরিয়ান। তাকে তা দেয়া হয়েছে। এনসিবির হেফাজতে আরিয়ান, মুনমুন, আরবাজ ছাড়া আরও পাঁচ অভিযুক্ত আছেন। এনসিবি আদালতকে জানিয়েছে, তাদের সবাইকে সামনাসামনি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
৭ অক্টোবর পর্যন্ত আরিয়ানকে এনসিবির হেফাজতেই থাকতে হবে। মাদক-কাণ্ডের অন্য দুই অভিযুক্ত আরবাজ মার্চেন্ট আর মুনমুন ধামেচাকেও ৭ অক্টোবর পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি এক বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ২০ হাজার রুপি জরিমানাসহ কারাদণ্ড হতে পারে।
এর আগে রোববার মুম্বাই থেকে গোয়াগামী একটি জাহাজ থেকে আরিয়ানসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে এনসিবি। চরস, কোকেন, এমডিএমএ-এর মতো নিষিদ্ধ মাদক উদ্ধার হয়েছে তাদের কাছ থেকে। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে এনসিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা পরিচয় গোপন করে ওই জাহাজে উঠেছিলেন। তাদের কাছে আগেই খবর ছিল যে, ওই জাহাজে মাদক পার্টির ব্যবস্থা করা হয়েছে।


































