রাজাকারের বংশধর বাংলাদেশে রয়ে গেছে, তাদের ধ্বংস করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।
রোববার (৩ অক্টোবর) বিকেলে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আছব উদ্দিনের স্মরণে অনুষ্ঠিত শোক সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এ কথা বলেন।
রাজাকারের বংশধরদের দেশের উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এমএ মান্নান বলেন, “এই শান্তি প্রিয় দেশে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে রাজাকারের বংশধররা। এজন্য তাদেরকে খোঁজে বের করে ধ্বংস করে দিতে হবে।”
পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, “বর্তমানে এদেশের ১৮ কোটি মানুষের ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বলছে। পদ্মা সেতু নির্মাণ হচ্ছে। গ্রামগঞ্জে রাস্তাঘাট, সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। চারদিকে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। যা দেখে রাজাকারের বংশধররা সইতে পারছে না। তাই ওদের থেকে সবাইকে সর্তক থাকতে হবে।”
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সমীরণ দাসের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম শামীম, সৈয়দ আবুল কাসেম, তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রঞ্জন রায়, উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মোহন চৌধুরী, সাবেক পৌরমেয়র মোশারফ মিয়া প্রমুখ।
এরআগে বেলা ১১টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে অসহায় দুস্থদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ও হিন্দুধর্মালম্বীদের ২২টি পূজা মণ্ডপে সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
ওই সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার উজ জামান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নুর হোসেন, ওসি কাজী মোক্তাদির হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জ্যোতি ভূষণ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সুরঞ্জিত চৌধুরী প্রমুখ।


































