মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী এবং দুর্নীতি-অপকর্মে জড়িত যেকোনো নেতা বা কর্মীর আওয়ামী লীগে স্থান নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. হাছান মাহমুদ।
রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধায় জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগ দেওয়ার আগে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “গত সাড়ে ১৩ বছর ধরে যারা আওয়ামী লীগ করছেন তারা দলের দুঃসময় দেখেননি। দলের দুঃসময়ে যারা আওয়ামী লীগের পাশে ছিলেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের আগামী দিনের দলের নেতৃত্বে বসানো হবে। মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী এবং দুর্নীতি-অপকর্মে জড়িত যারা তাদের কোনো স্থান নেই আওয়ামী লীগে।”
আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত অতিথি পাখিদের প্রতিহত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
এরপর মন্ত্রী রাধাকৃষ্ণপুরে এসকেএস ইন রিসোর্টে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। সেখানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগ দেন।
গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ শামস উল আলম হিরুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিকের সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. হাছান মাহমুদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, সফুরা বেগম রুমি।
আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাইবান্ধা ৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনসহ গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
এর আগে, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সড়কপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে এসে পৌঁছান মন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ছাড়াও জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


































