১২ সেপ্টেম্বর রোববার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণার পর থেকেই নাটোরের স্কুল-কলেজ খোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এখন চলছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ।
শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, স্যানিটাইজ ও প্রতিষ্ঠান চত্বরের আশপাশের আগাছা, আবর্জনা পরিষ্কার করার কাজ চলছে।
নাটোর জেলায় মোট ১ হাজার ২৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। করোনা মহামারিতে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম একেবারেই বন্ধ ছিল।
নাটোর শহরের সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্কুল চত্বরের আগাছা পরিষ্কার, স্কুলের দেয়াল ও কক্ষে ঝাড়া-মোছাসহ শ্রেণিকক্ষগুলো পরিষ্কার করতে ব্যস্ত রয়েছেন কর্মীরা।
অন্যদিকে নাটোর মহারাজা জে এন স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে দেখা যায়, প্রভাষক রুস্তম আলী নিজেই অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য বাগানের আগাছা ও গাছের পাতা ছাঁটাই করছেন।
এর আগে বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) নাটোর মহারাজা জে এন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেন জেলা শিক্ষা অফিসার রমজান আলী আকন্দ। তিনি এ সময় স্কুলের চত্বর ও ল্যাব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
নাটোর মহারাজা জে এন স্কুল অ্যান্ড কলেজ সিনিয়র শিক্ষক মো. আব্দুল হাকিম বলেন, “সরকারি নির্দেশ মোতাবেক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস করার মতো উপযোগী করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১২ তারিখ থেকে ক্লাস নিতে পারব বলে আশা করছি।”
সিংড়া ভাগনাগর কাঁন্দী উচ্চবিদ্যালয় ও (ভোকঃ)র প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ বলেন, “স্কুলের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজ ও জীবানুনাশক রাখা হবে। প্রত্যক শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে ক্লাস নেব। এছাড়া ছেলেমেয়ে পৃথক ক্লাসে বসানো হবে।”
জেলা শিক্ষা অফিসার রমজান আলী আকন্দ বলেন, “সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। এরই মধ্য জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরির্দশন করছি। ১২ তারিখের আগেই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঠদানের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।”


































