কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ভারী অস্ত্রের বিকট শব্দ শোনা গেছে। এতে সীমান্তে বসবাসরত পরিবারগুলো আতঙ্কে রয়েছে। এরই মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ।
রোববার (৯ অক্টোবর) রাত ১১টা থেকে সোমবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের বসবাসকারীরা ভারী অস্ত্রের বিকট শব্দ ও গোলাগুলির শব্দ পান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোয়াইক্যং ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নূর আহমদ আনোয়ারী।
হোয়াইক্যং ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাজী জালাল আহমদ বলেন, “কয়েক দিন বন্ধ থাকার পর আবার রোববার রাত ১১টার পর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত হোয়াইক্যং সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের কয়েকটি এলাকায় ভারী অস্ত্রের বিকট শব্দ শোনা যায়। এতে আমাদের এলাকা পর্যন্ত কেঁপে উঠছে। এলাকার মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।”
সীমান্তের বাসিন্দারা বলেন, “হোয়াইক্যং সীমান্তে আবার বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে এলাকা। মনে হচ্ছে ভূকম্পন হচ্ছে। এতে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।”
টেকনাফ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এরফানুল হক চৌধুরী বলেন, “আবারও এ সীমান্তে গোলাগুলির খবর জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে জেনেছি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্তের ৩০০ মিটারের বসবাসকারীদের পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে আমরা তাদের খোঁজখবর রাখছি।”
এ দিকে সোমবার সকাল থেকে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন বলে জানান বিজিবির কক্সবাজার ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মেহেদী হোসাইন কবির।
বিজিবি জানিয়েছে, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সীমান্ত পরিস্থিতি পরিদর্শন করছেন বিজিবি প্রধান।
মেহেদী হোসাইন কবির বলেন, “সোমবার সকালে বিশেষ হেলিকপ্টার যোগে বিজিবিপ্রধান কক্সবাজার পৌঁছান। এরপর সকাল ১০টা থেকে ঘুমধুমের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন শুরু করেন।”
তিনি আরও বলেন, “নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিজিবির মহাপরিচালক সীমান্ত পরিস্থিতি পরিদর্শন করছেন। পরিদর্শনকালে বিজিবির সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়দের সঙ্গে তিনি কথা বলেন।”
























