এবার বিশ্বকাপে ফুটবলারদের পায়ে গোলাপি বুট কেন!


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
এবার বিশ্বকাপে ফুটবলারদের পায়ে গোলাপি বুট কেন!

একটা সময় ছিল যখন ফুটবলের বুট বলতেই চোখের সামনে ভেসে উঠত শুধু একটাই রং—কালো। গত ২৫ বছরে অবশ্য সেই দৃশ্যে আমূল পরিবর্তন এসেছে।

বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ডগুলো ভিড়ের মাঝে নিজেদের আলাদা করে চেনাতে রংধনুর সব রং নিয়েই হাজির হয়েছে ফুটবলের আঙিনায়। ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে হাজির হয়েছে গোলাপি। বিশ্বকাপে দুই দলের খেলোয়াড়দের পায়েই গোলাপি রঙের বুট এই প্রথম।
বিশ্বকাপে ফুটবলারদের মধ্যে কেউ পরেন নাইকির বুট, কেউ অ্যাডিডাস, কেউবা পুমা। বুট বিক্রিতে শীর্ষ এই তিন ব্র্যান্ড বিশ্বকাপের জন্য একই ধাঁচের এবং একই রঙের বুট তৈরি করেছে। সে কারণেই ফুটবলারদের পায়ে গোলাপি বুট দেখা যাচ্ছে।

অতীতে নাইকি, অ্যাডিডাস এবং পুমার মতো নেতৃস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো কিছুটা অনুজ্জ্বল কালো এবং সাদা ডিজাইনে বেশি মনোযোগ দিত। যার মূলে ছিল চমৎকার সব রঙের মাধ্যমে ভিড়ের মধ্যে নিজেদের ফুটিয়ে তোলার লক্ষ্য। তবে এখন আবার ট্রেন্ডিংয়ে গোলাপি রং।

২০২৪ সালে ভোক্তা ট্রেন্ড পূর্বাভাসকারী প্রতিষ্ঠান ডব্লিউজিএসএনের ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়েছিল, ২০২৬ সালে আধিপত্য বিস্তার করবে ‘ইলেকট্রিক ফুশিয়া’, মানে গোলাপি ও বেগুনি রঙের মিশ্রণে তৈরি অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং চোখধাঁধানো একটি রং। এই ভবিষ্যদ্বাণী নাইকি, অ্যাডিডাস এবং পুমার ডিজাইন বিশেষজ্ঞদের কতটা প্রভাবিত করেছিল, তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও গোলাপি বুটই এখন ফুটবলারদের পায়ে দেখা যাচ্ছে।

তবে বুটের স্টাইল গোলাপি হওয়াটা কি স্রেফ একটি কাকতালীয় ঘটনা? হয়তো না। আসলে ফুটবল আর ফ্যাশন একে অন্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, বিশ্বকাপে তারই লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো যখন নতুন বুটের ডিজাইন শুরু করে, তখন তারা ডব্লিউজিএসএনের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরামর্শ করে নেয়। আর এই প্রক্রিয়াটা শুরু হয় দুই বছর আগে। এর মাধ্যমে তারা জানতে পারে যে পণ্যটি যখন শেষ পর্যন্ত দোকানে যাবে, তখন কোন কোন রং, থিম এবং স্টাইলগুলো বাজারে জনপ্রিয় থাকবে।

কারণ আছে আরও! কোম্পানিগুলোর গোলাপি রং বেছে নেওয়ার সবচেয়ে সহজ একটি কারণ হলো মাঠের সবুজ ঘাসের সঙ্গে এর বৈপরীত্য। আপনি টেলিভিশনে খেলা দেখেন, স্টেডিয়ামে বসে দেখেন কিংবা আপনার ফোনে স্ক্রল করেন—সব জায়গাতেই এই রংটি দারুণভাবে চোখে পড়ে। এমনকি স্লো-মোশন ক্লিপ বা স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের নিচে খেলা দেখার সময়ও গোলাপি বুটটি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। 

একটা সময় ছিল যখন ফুটবলের বুট বলতেই চোখের সামনে ভেসে উঠত শুধু একটাই রং—কালো। গত ২৫ বছরে অবশ্য সেই দৃশ্যে আমূল পরিবর্তন এসেছে।

বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ডগুলো ভিড়ের মাঝে নিজেদের আলাদা করে চেনাতে রংধনুর সব রং নিয়েই হাজির হয়েছে ফুটবলের আঙিনায়। ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে হাজির হয়েছে গোলাপি। বিশ্বকাপে দুই দলের খেলোয়াড়দের পায়েই গোলাপি রঙের বুট এই প্রথম।

বিশ্বকাপে ফুটবলারদের মধ্যে কেউ পরেন নাইকির বুট, কেউ অ্যাডিডাস, কেউবা পুমা। বুট বিক্রিতে শীর্ষ এই তিন ব্র্যান্ড বিশ্বকাপের জন্য একই ধাঁচের এবং একই রঙের বুট তৈরি করেছে। সে কারণেই ফুটবলারদের পায়ে গোলাপি বুট দেখা যাচ্ছে।

অতীতে নাইকি, অ্যাডিডাস এবং পুমার মতো নেতৃস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো কিছুটা অনুজ্জ্বল কালো এবং সাদা ডিজাইনে বেশি মনোযোগ দিত। যার মূলে ছিল চমৎকার সব রঙের মাধ্যমে ভিড়ের মধ্যে নিজেদের ফুটিয়ে তোলার লক্ষ্য। তবে এখন আবার ট্রেন্ডিংয়ে গোলাপি রং।

২০২৪ সালে ভোক্তা ট্রেন্ড পূর্বাভাসকারী প্রতিষ্ঠান ডব্লিউজিএসএনের ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়েছিল, ২০২৬ সালে আধিপত্য বিস্তার করবে ‘ইলেকট্রিক ফুশিয়া’, মানে গোলাপি ও বেগুনি রঙের মিশ্রণে তৈরি অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং চোখধাঁধানো একটি রং। এই ভবিষ্যদ্বাণী নাইকি, অ্যাডিডাস এবং পুমার ডিজাইন বিশেষজ্ঞদের কতটা প্রভাবিত করেছিল, তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও গোলাপি বুটই এখন ফুটবলারদের পায়ে দেখা যাচ্ছে।

তবে বুটের স্টাইল গোলাপি হওয়াটা কি স্রেফ একটি কাকতালীয় ঘটনা? হয়তো না। আসলে ফুটবল আর ফ্যাশন একে অন্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, বিশ্বকাপে তারই লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো যখন নতুন বুটের ডিজাইন শুরু করে, তখন তারা ডব্লিউজিএসএনের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরামর্শ করে নেয়। আর এই প্রক্রিয়াটা শুরু হয় দুই বছর আগে। এর মাধ্যমে তারা জানতে পারে যে পণ্যটি যখন শেষ পর্যন্ত দোকানে যাবে, তখন কোন কোন রং, থিম এবং স্টাইলগুলো বাজারে জনপ্রিয় থাকবে।

কারণ আছে আরও! কোম্পানিগুলোর গোলাপি রং বেছে নেওয়ার সবচেয়ে সহজ একটি কারণ হলো মাঠের সবুজ ঘাসের সঙ্গে এর বৈপরীত্য। আপনি টেলিভিশনে খেলা দেখেন, স্টেডিয়ামে বসে দেখেন কিংবা আপনার ফোনে স্ক্রল করেন—সব জায়গাতেই এই রংটি দারুণভাবে চোখে পড়ে। এমনকি স্লো-মোশন ক্লিপ বা স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের নিচে খেলা দেখার সময়ও গোলাপি বুটটি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। সব মিলিয়ে এটি অত্যন্ত সহজে চোখে পড়ে।

Link copied!